আগের ম্যাচে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ভিন্ন এক বার্সেলোনাকে দেখা গিয়েছিল। গতকাল রাতে এস্পানিওলের বিপক্ষে কিছুটা বিপরীত দেখা গিয়েছে সেই কাতালানদের। প্রতিপক্ষের মাঠে পরাজয় বরণ করতে যাচ্ছিল বার্সেলোনা, এমনটা প্রায় নিশ্চিতই ছিল। তবে যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে গোল করে দলকে রক্ষা করেন লুক ডি ইয়ং। ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র করেছে জাভির শিষ্যরা। লা লিগার ম্যাচটিতে নির্ধারিত সময়ের পর দুদলের তিন ফুটবলার লাল কার্ড দেখেন।
লিগে এস্পানিওলের বিপক্ষে এ নিয়ে টানা ২৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকলো বার্সেলোনা। আগের ম্যাচে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজে ছিল কাতালানরা। ম্যাচের প্রথম আক্রমণেই গোল আদায় করে নেয় অতিথিরা। দ্বিতীয় মিনিটে ডান দিক থেকে জর্দি আলবার ক্রসে পা লাগিয়ে বল জালে জড়ান পেদ্রি। পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠে স্বাগতিক এস্পানিওল। ৪০ মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান সার্জি দারদার। বক্সের বাইরে থেকে বাঁকানো শটে দূরের পোস্টে লক্ষ্যভেদ করেন এই ফরোয়ার্ড। ৫৭ মিনিটে বল জালে জড়িয়েছিলেন বার্সার গাভি কিন্তু অফসাইডে থাকায় গোল হয়নি। ৬৪ মিনিটে এস্পানিওলকে এগিয়ে নেন ডি থমাস।
পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে দলে নতুন যোগ দেওয়া অবামেয়াং, ডি ইয়ং, ওসমান দেম্বেলেকে মাঠে নামান জাভি। তবুও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছিলোনা। নির্ধারিত নব্বই মিনিট শেষ হলে দেয়া হয় অতিরিক্ত ছয় মিনিট। সেখানেই বাজিমাত করে বার্সেলোনা। যোগ করা ছয় মিনিটের মাথায় বার্সেলোনাকে সমতায় ফেরান লুক ডি ইয়ং। আদামা ট্রাওরের হাওয়ায় ভাসানো ক্রসে হেডে লক্ষ্যভেদ করে বার্সেলোনাকে এক পয়েন্ট এনে দেন এই ডাচ ফুটবলার।
এর আগে ৯২ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় দুই দলই। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বার্সেলোনার জেরার্ড পিকে এবং এস্পানিওলের মিডফিল্ডার মেলামেদ। প্রথমে পিকে পেছন থেকে মেলামেদকে টান দিলে পর মুহূর্তেই পিকেকে পেছন থেকে টান দিয়ে ফেলে দেন মেলামদ। ফলে দুজনই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। এছাড়া শেষ মুহূর্তে রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে লাল কার্ড দেখেন এস্পানিওলের মানু মোরালেস।
এই জয়ে ২৩ ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে বার্সেলোনা। ২৪ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে ১৩তম স্থানে এস্পানিওল। সমান ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ এবং ৫০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে সেভিয়া।










