সাবেক অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ম্যারাথন ইনিংসে প্রায় একাই টানলেন শ্রীলংকাকে। তার ১৯৯ রানের বীরোচিত ইনিংসে ভর করে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩৯৭ রান তুলে অলআউট হয়েছে অতিথিরা। অবশ্য জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশও খারাপ করেনি। ১৯ ওভারে বিনা উইকেটে ৭৬ রান তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা। তামিম ইকবাল ৩৯ ও মাহমুদুল হাসান জয় ৩১ রানে অপরাজিত থেকে আজ দ্বিতীয় দিন মাঠ ছাড়েন। ১০ উইকেট হাতে নিয়ে অতিথিদের চেয়ে এখনো ৩২১ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ। 

 

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ তৃতীয় সেশনের শুরুর দিকে আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেটাররা এগিয়ে গিয়ে ম্যাথুজকে অভিনন্দন জানান। তবু হয়তো হূদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল ৩৪ বছর বয়সী এ ক্রিকেটারের। আগে ডাবল সেঞ্চুরি থাকলেও তীরে এসে তরী ডোবার এ কষ্টা কি তিনি ভুলতে পারবেন সহজে?

 

টেস্ট ক্রিকেটে এ নিয়ে ১৪ বার ১৯৯ রানে আউট হওয়ার ঘটনা ঘটল। এর আগে মুদাসসর নজর, মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন, ম্যাথিউ এলিয়ট, সনাথ জয়সুরিয়া, স্টিভ ওয়াহ, অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, ইউনুস খান, ইয়ান বেল, কুমার সাঙ্গাকারা, স্টিভ স্মিথ, লোকেশ রাহুল, ডিন এলগার ও ফাফ ডু প্লেসি ১৯৯ রানে আউট হন। 

 

ডাবল সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন ম্যাথুজ। কিন্তু নাঈম হাসানের বলে অনে স্লগ করতে গিয়ে পয়েন্টে ক্যাচ দেন সাকিব আল হাসানকে। এই সাফল্যে ৬ উইকেট পূর্ণ হয় নাঈমের। ১০৫ রানে তার শিকার ৬ উইকেট। ২২ বছর বয়সী অফস্পিনারের এটা ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার।

চারে নামা ম্যাথুজ ৩৯৭ বলে ১৯ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ১৯৯ রান করেন। কুশল মেন্ডিসকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৯২, চতুর্থ উইকেটে দিনেশ চান্দিমালকে নিয়ে ১৩৬ ও নবম উইকেটে বিশ্ব ফার্নান্দোকে নিয়ে ৪৭ রান যোগ করেন ম্যাথুজ। চান্দিমাল ১৪৮ বলে ৬৬ ও কুশল মেন্ডিস ১৩১ বলে ৫৪ রান করেন।

 

সাকিব ৬০ রানে তিনটি ও তাইজুল ইসলাম ১০৭ রানে একটি উইকেট নেন।