গত মাসে আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের সময় চোট পাওয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজগামী বিমানে ওঠা হয়নি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর। সেই সঙ্গে চোটে ছিটকে পড়েন মুশফিকুর রহিমও। ওয়েস্ট ইন্ডিজে তাদের দুজনকে ছাড়াই টেস্ট সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। এবার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও অধিনায়ক শান্ত ও দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিককে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। নেই সাকিব আল হাসানও। আজ সোমবার মেহেদী হাসান মিরাজকে অধিনায়ক করে ওয়ানডে সিরিজের ১৫ জনের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মিরাজ টেস্ট সিরিজেও বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সাকিব ভারত সফরের পর আর দেশের হয়ে খেলতে পারেননি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঢাকা টেস্ট খেলতে চাইলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি দেশে ফিরতে পারেননি। সমর্থকদের বাঁধার মুখে তাকে দেশে আসতে বারণ করে বিসিবি। পরে আফগানিস্তান সিরিজ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের টেস্ট সিরিজেও তাকে দেখা যায়নি। জানা গেছে, আন্তর্জাতিক খেলার বাইরে থাকা ও খেলার মতো মানসিক মতো মানসিক অবস্থায় নেই বলে তাকে ওয়ানডে সিরিজে রাখেনি বিসিবি।

সাকিব খেলার জন্য বিসিবিকে কিছু ‘শর্ত’ দিয়েছেন বলে কয়েকদিন ধরে গুঞ্জন চলছিল। যদিও তিনি এই শর্তের কথা অস্বীকার করেছেন।

মিডল অর্ডারে বাংলাদেশ দলের নিয়মিত মুখ তাওহীদ হৃদয় কুঁচচির সমস্যায় ওয়ানডে সিরিজে খেলবে না বলে বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। তার শূন্যতা পূরণে বামহাতি ব্যাটার আফিফ হোসেনকে দলে ডাকা হয়েছে। বামহাতি ব্যাটার জাকির হাসান আফগানিস্তান সিরিজে খেললেও এবার বাদ পড়েছেন। একই সিরিজে ভালো করায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে ডাক পেয়েছেন তরুণ পেস বোলার নাহিদ রানা।

সিরিজের সবগুলো ম্যাচ সেন্ট কিটসে। ৮ ডিসেম্বর প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ। ১০ ও ১২ ডিসেম্বর পরের দুই ওয়ানডে।

ওয়ানডে সিরিজের স্কোয়াড:

মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), লিটন দাস (উইকেটকিপার), তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, পারভেজ হোসেন ইমন, মাহমুদউল্লাহ, জাকের আলী, আফিফ হোসেন, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব ও নাহিদ রানা।