প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে যেকোনো ফরম্যাটে দক্ষিণ আফ্রিকার
বিপক্ষে সেঞ্চুরি করার কৃতিত্ব দেখালেন মাহমুদুল হাসান জয়। আজ ডারবান টেস্টের
তৃতীয় দিন তার লড়াকু সেঞ্চুরিতে ভর করে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।
এতে ৬৯ রানের লিড পায় প্রোটিয়ারা। স্বাগতিকরা দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং নামলে মাত্র
৪ ওভার পরই আলোকস্বল্পতা ও বৃষ্টির কারণে আর খেলা মাঠে গড়ায়নি। রোববার চতুর্থ দিন
৯৮ ওভারের খেলা হবে বলে জানানো হয়েছে। বিনা উইকেটে ৬ রান তোলায় প্রোটিয়াদের লিড
বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫ রানে।
এর আগে মাত্র তৃতীয় টেস্টে এসে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন
জয়। তার কাব্যিক ইনিংস থামে ১৩৭ রানে। ৩২৬ বলের ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছেন ১৫টি চার ও
দুই ছক্কায়। উইকেটে টিকে ছিলেন ৪৪২ মিনিট।
৯৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে শুক্রবার দ্বিতীয় দিন শেষ করে বাংলাদেশ। আজ
সকালে দলীয় স্কোরে ৭ রান জমা না হতেই সাজঘরে ফেরেন নাইটওয়াচম্যান তাসকিন আহমেদ (১)। লিজাড উইলিয়ামসের শিকার হন তিনি।
দলীয় ১০১ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকেই পড়ে বাংলাদেশ। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে জয় ও
লিটন দাস দৃঢ়তা দেখিয়ে ১৭১ বলে ৮২ রান যোগ করে দলকে খানিকটা নিরাপদে নেন। লিটন ৯২
বলে ৪১ রান করে লিজাড উইলিয়ামসের শিকার হয়ে ফেরেন সাজঘরে। এরপর ইয়াসির আলীকে নিয়ে
৫৩ বলে ৩৩ রান করেন জয়। ইয়াসির (২২) রানআউটের শিকার হন।
জয়ের লড়াই তখনো শেষ হয়ে যায়নি। এরপর মিরাজকে নিয়ে ১৪৪ বলে ৫১ ও খালেদ
আহমেদকে নিয়ে ১৯ বলে ২৭ রানের জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ বড় করেন তিনি। যদিও খালেদ ও জয়
পরপর দুই ওভারে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। আউট হওয়ার আগে প্রচণ্ড আগ্রাসী ব্যাটিং করে
দলের সংগ্রহ তিনশর কাছাকাছি নিয়ে যান তিনি।
অল্পের জন্য জয়ের ‘ক্যারি থ্রু দ্য ইনিংস’ না হলেও তিনি প্রোটিয়াদের লিড খুব বড় হতে দেননি।
সাইমন হারমার ১০৩ রানে চারটি ও লিজাড উইলিয়ামস ৫৪ রানে তিনটি উইকেট
নেন।
প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৬৭ রানে অলআউট হয়।










