মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে
সফরকারী ভারতকে ১৪৫ রানের ছোট টার্গেট দিয়েও জয়ের স্বপ্ন জাগিয়েছে বাংলাদেশ। রান
তাড়া করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে বসেছে অতিথিরা। দিনশেষে তাদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪৫
রান। ৬ উইকেট হাতে নিয়ে জিততে ভারতের প্রয়োজন আরো ১০০ রান। আগামীকাল তাই জয়ের
স্বপ্ন নিয়েই হয়তো খেলতে নামবে সাকিব আল হাসানের দল। উল্লেখ্য, ১২ টেস্ট খেলে কখনই ভারতকে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ।
শুক্রবার দেড় কোটি রুপিতে আইপিএলে দল পাওয়া সাকিব আল হাসানই
আজ বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন। তিনি দলীয় ৩ রানে ওপেনার লোকেশ রাহুলকে
সাজঘরে ফেরান। উইকেটের পেছনে তার ক্যাচ নেন নুরুল হাসান সোহান।
এরপর গর্জে ওঠেন অফস্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনি
চেতেশ্বর পুজারা, শুভমান গিল ও বিরাট কোহলিকে আউট করে বাংলাদেশকে
দুর্দান্ত সাফল্য এনে দেন।
এর আগে আজ ম্যাচের তৃতীয় দিন জাকির হাসান ও লিটন কুমার
দাসের হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩১ রান তুলেছে পেরেছে বাংলাদেশ।
চট্টগ্রামে নিজের অভিষেক টেস্টে চতুর্থ ইনিংসে সেঞ্চুরি করা জাকির এবার ঢাকা
টেস্টেও দলের বিপদে হাল ধরেন। স্বাগতিকদের ৪ উইকেট পতনের পর লড়াকু এক হাফসেঞ্চুরি
করে দলকে টানেন তিনি। যদিও ব্যক্তিগত ৫১ রান করে তিনি ফিরে গিয়েছেন সাজঘরে। পরে
লিটন কুমার দাস ৯৮ বলে ৭৩, নুরুল হাসান সোহান ২৯ বলে ৩১ ও তাসকিন আহমেদ ৪৬
বলে ৩১ রান করে দলকে দুশোর্ধ্ব রানের সংগ্রহ এনে দেন।
এর আগে শুক্রবার প্রথম ইনিংসে ভারতকে ৩১৪ রানে অলআউট করার
কৃতিত্ব দেখায় বাংলাদেশ। দুই বামহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও সাকিব আল হাসান উভয়ই
চারটি করে উইকেট নিয়ে স্বাগতিকদের লড়াইয়ে রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৮৭ রানের লিড পায়
সফরকারীরা। সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ৬ ওভার টিকে থেকে বিনা উইকেটে ৭ রান তুলে নেয়ায় লিড
কমে দাঁড়ায় ৮০ রানে। নাজমুল হোসেন শান্ত ৫ ও জাকির ২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
আজ সকালের সেশনেই শান্ত (৫), মুমিনুল হক (৫), সাকিব আল হাসান (১৩) ও মুশফিকুর রহিমের (৯) উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সেশনে আউট হন জাকির। ১৩৫ বল খেলে ৫
বাউন্ডারির সাহায্যে ৫১ রান করে তিনি উমেশ যাদবের শিকার হন। এরপর লিটন ও তাসকিনের
ব্যাটে দুশ পার হয় বাংলাদেশ।










