জবাব দিতে নেমে প্রথম দিনশেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২১ রান।

সকালে টস জিতে বোলিং নেয়া পাকিস্তান প্রথম ঘণ্টায় স্বাগতিকদের দুই ওপেনারকে তুলে নেয়। মোহাম্মদ আব্বাস দলীয় শূন্য রানে মাহমুদুল হাসান জয়কে ও ৪৪ রানে অভিষিক্ত তানজিদ হাসান তামিমকে আউট করেন। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে সেকেন্ড স্লিপে জয়ের ক্যাচ নেন সালমান আগা। অভিষিক্ত তানজিদ দশম ওভারে মিড-অনে খেলতে গিয়ে রিটার্ন ক্যাচ দেন বোলার আব্বাসকে।

ঢাকা টেস্টে উভয় ইনিংসে ফিফটি করা মুমিনুল হক গতকাল দলকে হতাশ করেন। ৪১ বলে ২২ রান করে অনেকটা দৃষ্টিকটুভাবেই খুররম শাহজাদের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান সাজঘরে। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম প্রথম সেশনে দলকে একশ পার করান। বিরতির পর কাছাকাছি সময়ে দুজন আউট হয়ে যান। দলীয় ১০৬ রানে শান্তকে ফেরান আব্বাস, একটু পরে মুশফিককে সাজঘরে ফেরান খুররম।

ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ মাত্র ৪ রান করে বিদায় নেন। তাকেও বিদায় করেন খুররম। ১১৬ রানে ৬ উইকেট পতনের পর টেল-এন্ডারদের নিয়ে দুর্দান্ত লড়াই করেন লিটন। তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ১১৪ বলে ৬০, তাসকিন আহমেদকে নিয়ে ৪২ বলে ৩৮, শরিফুল ইসলামকে নিয়ে ৭৩ বলে ৬৪ রান যোগ করেন এ ডানহাতি ব্যাটার।

৯৯ রানে দাঁড়িয়ে খুররম শাহজাদের বলে বাউন্ডারি মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন লিটন। ১৩৫ বলে তিনি তিন অংক ছুঁয়েছেন। এটা তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরিতে তিনি মোহাম্মদ আশরাফুলকে ছুঁয়ে ফেলেছেন। তার চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি আছে মুমিনুল হক (১৩), মুশফিকুর রহিম (১৩), তামিম ইকবাল (১০) ও নাজমুল হোসেন শান্তর (৯)। গতকাল দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে দলকে সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দিয়ে বিদায় নেন লিটন। ১৫৯ বলে ১৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ১২৬ রান করে হাসান আলীর বলে সীমানায় ক্যাচ তুলে দেন তিনি।

লিটন ও শরিফুলের দারুণ এক জুটিতে দলের তিনশর সম্ভাবনা তৈরি হয়। শরিফুল যোগ্য সঙ্গ দিয়ে চললেও লিটন বাউন্ডারি মারতে গিয়ে আউট হয়ে যান। একই ওভারে নাহিদ রানাকেও ফেরান হাসান আলী। এর মধ্য দিয়ে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ (২৭৮/১০)। ফলে তিনশ রান করা হলো না স্বাগতিক দলের।