ডারবান টেস্টের প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩৬৭ রানে
অলআউট করেছে বাংলাদেশ। আজ দ্বিতীয় দিন ৪ উইকেটে ২৩৩ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামা
প্রোটিয়ারা বাকি ৬ উইকেট হারিয়ে বোর্ডে আরো ১৩৪ রান যোগ করতে সমর্থ হয়। জবাব দিতে
নেমে প্রথম ওভার থেকে ১ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে সাদমান ইসলামের সঙ্গী
মাহমুদুল হাসান জয়।
দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে জোড়া আঘাত
হানেন বাংলাদেশের পেস বোলার খালেদ আহমেদ। আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটার কাইল
ভেরেইনকে (২৮) দিনের ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে
ফেলেন এই পেসার। পরের বলে উইয়ান মুলডারকেও শিকারে পরিণত করেন খালেদ। গালিতে
মাহমুদুল হাসান জয়কে ক্যাচ দিয়ে রানের খাতা সাদা রেখে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার।
এরপর তেম্বা বাভুমাসহ আরো দুই উইকেট শিকার করে স্বাগতিকদের চাপে রাখে বাংলাদেশ।
ষষ্ঠ উইকেট পতনের পর কেশব মহারাজকে নিয়ে বোর্ডে আরো ৫৩
রান যোগ করেন বাভুমা। তিনি ছুটছিলেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দিকে। যদিও
মাত্র ৭ রান দূরে থাকতে তাকে ফিরতে হয় সাজঘরে। মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে
বিভ্রান্ত হয়ে তিনি বোল্ড হন। ১৯০ বলে ১২টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৯৩ রান করেন
প্রোটিয়াদের ওয়ানডে অধিনায়ক। সেঞ্চুরি না পেলেও গুরুত্বের বিচারে এটি সেঞ্চুরির
চেয়েও হয়তো বেশি ভারী ইনিংস।
বাভুমার বিদায়ের রেশ কাটতে না কাটতেই প্রোটিয়াদের আরেক
ধাক্কা দেয় বাংলাদেশ। পরের বলেই এবাদত বোল্ড করেন কেশব মহারাজকে
(২৯৮/৮)।
মহারাজ ৪০ বলে করেন ১৯ রান।
এরপর টেল-এন্ডের দৃঢ়তায় সাড়ে
তিনশ পার হয় প্রোটিয়ারা। সাইমন হার্মার ও অভিষিক্ত লিজাড উইলিয়ামস নবম উইকেটে ৬৫
বলে ৩৪ রান এবং দশম উইকেটে হার্মার ও ডুয়ান অলিভিয়ার ৭২ বলে ৩৫ রান করে বাংলাদেশ
বোলারদের যথেষ্ট ভুগিয়েছেন। এ দুটি জুটিতে প্রোটিয়াদের সংগ্রহটাও সাড়ে তিনশ পেরিয়ে
যায়। হার্মার ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন। আর লিজাড ও অভিলিয়ার উভয়ই ১২ রান করে দলের
স্কোরবোর্ডে অবদান রাখেন। জয়ের হাতে ক্যাচ বানিয়ে লিজাডকে সাজঘরে ফেরান খালেদ,
আর
অভিলিয়ারকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মিরাজ।
সব মিলে ৯২ রানে চারটি উইকেট নিয়েছেন খালেদ,
মিরাজের
শিকার ৯৪ রানে তিনটি এবং এবাদত নিয়েছেন ৮৬ রানে দুটি উইকেট।
ডারবানে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেয় বাংলাদেশ। দক্ষিণ
আফ্রিকা ও বাংলাদেশ এই সিরিজের দুটি টেস্ট খেলবে। পরের টেস্ট পোর্ট এলিজাবেথে। এর
আগে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটা ২-১ ব্যবধানে জিতেছে তামিম ইকবালের দল।










