বুধবার রাতে ঘরের মাঠে ভিক্টোরিয়া প্লজেনকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপ থেকে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মিলান। তাদের জয়ে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায় বার্সেলোনার, কেননা আগেই গ্রুপটি থেকে নকআউটে জায়গা করে নেয় বায়ার্ন মিউনিখ। বিদায়ের খবর পাওয়ার পরই হোম ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে মাঠে নামে জাভি হার্নান্দেজের দল। বিদায়ের ওই ক্ষত মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারেননি কাতালানরা। ফল বায়ার্নের কাছে ন্যু ক্যাম্পে ৩-০ গোলে হারল বিপর্যস্ত বার্সেলোনা।

বায়ার্নের বিপক্ষে হেরেই চলেছে বার্সেলোনা। সর্বশেষ ২০১৫ সালে সর্বশেষ শিরোপা জয়ের পথে বায়ার্নকে হারায় স্প্যানিশ জায়ান্টরা। সেবার ৩-০ গোলে জিতেছিলেন লিওনেল মেসিরা। এরপর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যথাক্রমে ৮-২, ৩-০, ৩-০, ২-০ ও ৩-০ গোলে বার্সাকে হারানোর কৃতিত্ব দেখাল জার্মানরা। বার্সার সর্বশেষ জয়ের পর যতগুলো ম্যাচ হয়েছে তাতে ১৯-৪ গোলের লিড নিয়ে বুধবার মাঠে নামে বাভারিয়ানরা। ফল সেই আগের মতোই, কর্তৃত্ব বাভারিয়ানদের। গতবারও বায়ার্নের গ্রুপে পড়ে বিদায় ঘটে বার্সার।

বুধবার ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে আয়াক্সকে তাদেরই মাঠে ৩-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বে উঠেছে লিভারপুল। এই গ্রুপ থেকে আগেই শেষ ষোলোয় ওঠে ইতালির দল নাপোলি, যারা বুধবার ৩-০ গোলে হারায় রেঞ্জার্সকে।

‘বি’ গ্রুপে ক্লাব ব্রুগেকে তাদেরই মাঠে ৪-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বের টিকিট পেয়েছে এফসি পোর্তো। এই ম্যাচ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায়। পরে দিয়েগো সিমিওনের দল হোম ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করে বেয়ার লেভারকুসেনের সঙ্গে।

এ রাতে ‘ডি’ গ্রুপে এনট্র্যাখট ফ্রাংকফুর্ট ২-১ গোলে হারায় মার্সেইকে। আরেক ম্যাচে স্পোর্টিং লিসবনের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে টটেনহাম। এ মুহূর্তে টটেনহাম (৮), লিসবন (৭) ও ফ্রাংকফুর্ট (৭) তিন দলেরই সুযোগ আছে নকআউটে ওঠার। টটেনহামকে শেষ ম্যাচে মার্সেইয়ের মাঠে ড্র করলেই চলবে।

এর আগে ‘ই’ গ্রুপ থেকে চেলসি, ‘এফ’ গ্রুপ থেকে রিয়াল মাদ্রিদ, ‘জি’ গ্রুপ থেকে ম্যানসিটি ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ড এবং ‘এইচ’ গ্রুপ থেকে পিএসজি ও বেনফিকা নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছে।

শেষ ষোলোয় উঠেছে যারা: নাপোলি, লিভারপুল, ক্লাব ব্রুগে, এফসি পোর্তো, বায়ার্ন মিউনিখ, ইন্টার মিলান, চেলসি, রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানসিটি, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, পিএসজি, বেনফিকা।