তৃণমূল থেকে অ্যাথলেট বের করে আনার লক্ষ্যে শুরু হলো ‘শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা-২০২৩’, যাতে অংশ নিচ্ছে প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থী। মোট চারটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতার খেলা। ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের খেলা ১৪-২৮ জানুয়ারি, জেলা পর্যায়ে ১-৫ ফেব্রুয়ারি ও বিভাগীয় পর্যায়ে ৯-১৩ ফেব্রুয়ারি খেলা হবে। জাতীয় পর্যায়ের খেলার তারিখ পরে নির্ধারণ করা হবে।

প্রতিযোগিতা নিয়ে গত ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সভাপতি মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি, যুব ও ক্রীড়া সচিব ড. মহিউদ্দিন আহমেদ, স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. হুমায়ুন কবির (কবি), জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব পরিমল সিংহ, ফেডারেশনের সহসভাপতি মো. ফারুকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব (মন্টু)।

এ ক্রীড়ানুষ্ঠানে দেশব্যাপী ৫০০টি উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমমানের মাদ্রাসার প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এ প্রতিযোগিতা শ্রেণীভিত্তিক ২টি গ্রুপে ৩২টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা ‘ক’ গ্রুপে ১০০ মিটার, ২০০ মিটার, হাইজাম্প ও লংজাম্পে লড়বে। নবম থেকে দশম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা ‘খ’ গ্রুপে ১০০ মিটার, ২০০ মিটার, ৪০০ মিটার, ৮০০ মিটার, ১৫০০ মিটার, হাইজাম্প, লংজাম্প, ট্রিপল জাম্প, জ্যাভলিন থ্রো, শটপুট, ডিসকাস থ্রো ও ১০০ মিটার রিলেতে  লড়বে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালের নামকরণে ওয়ালটন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজন করা হচ্ছে এ অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা। তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত অ্যাথলেটিকসকে শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় ও জনপ্রিয় করা এবং লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও নান্দনিক বিকাশসহ প্রতিযোগী মনোভাব গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশব্যাপী একটি ক্রীড়া আন্দোলন সৃষ্টির লক্ষ্যে আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। এতে সারা দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমমানের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় সম্পৃক্ত করে তাদের স্বীকৃতি ও উৎসাহ প্রদান করার মাধ্যমে ভবিষ্যতে সুনাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়।