মধ্য আর্জেন্টিনার শহর রোজারিও। এখানেই বেড়ে
উঠেছিলেন লিওনেল মেসি। নিজেদের মাটির সন্তানকে নিয়ে অন্যরকম উদ্দীপনা শহরজুড়ে। বিশ্বকাপ
ফাইনালে জয় দেখতে বাসিন্দারা রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষায় রয়েছেন।
১৯৮৬ সালে দিয়েগো ম্যারাডোনার হাত ধরে ঐতিহাসিক
জয় পাই দেশটি। অন্যদের মতো স্থানীয়রাও ভাবছেন, ৩৬ বছর পর দশ নম্বর জার্সিধারী মেসি
এর পুনরাবৃত্তি ঘটাবেন।
পারানা নদীর পশ্চিম তীরের শহর রোজারিওর অবস্থান রাজধানী বুয়েনস আইরেস থেকে ৩০০ কিলোমিটার উত্তরে। এ শহরে মেসি বড় হয়েছিলেন, বলে প্রথম কিকটি করেন এখানেই। এখন সর্বত্র তার ছবি শোভা পাচ্ছে। বড় বড় ভবন ছেয়ে গিয়েছে এ তারকার ছবিতে।
কাছাকাছি শহর সেরোডিনোতে ৪০ ফুট বাই ৬০ ফুট
আয়তনে তৈরি করা হয়েছে মেসির ১০ নম্বর জার্সি। সেটি এখন সড়কের ওপর উড়ছে।
সেরোডিনোর মেয়র হুয়ান পিও দ্রোভেট্টা বলেন,
বিশ্বকাপের ফাইনালে যাওয়া আমাকে রোমাঞ্চিত করেছে৷ এ খেলার পেছনে রয়েছে রক্ত আর ঘাম
মেশানো কঠোর পরিশ্রম।
২০১৪ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে ১-০ গোলে জার্মানির কাছে হারে আর্জেন্টিনা। এবার তারা মুখোমুখি ফ্রান্সের। এখন রোববারের ম্যাচটি হতে যাচ্ছে ৩৫ বছরের মেসির কাছে সেই দিনের বদলা নেয়ার।
মেসির পুরনো ক্লাব নেয়েলস ওল্ড বয়েজের জুনিয়র গ্রুপে খেলে
৮ বছরের পেড্রো ইবেনেজ। তার বাবা জুয়ান ইবেনেজ মোরোনির মতে, আর্জেন্টিনা জিততে যাচ্ছে।
এটা শুধু আর্জেন্টিনার জন্যই নয়, মেসির জন্যও পুরো দল করতে যাচ্ছে। এ জয় মেসির খুবই
দরকার এবং তিনি অনেক রেকর্ড তৈরি করবেন।
রোজারিওতে মেসি এখন পাগলামির নাম। তিনি যেখানে
জন্ম নেন, সেই বাড়ির কাছে গড়া হয়েছে বিশাল ম্যুরাল। এভাবে এগোতে থাকলে শহরের মূল সড়ক
পেরিয়ে অলি-গলিতেও চোখে পড়বে মেসি বন্দনা।










