এ বছর লাতিন মহাদেশের শ্রেষ্ঠত্বের আসর কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এটা লিওনেল মেসিদের ব্যাক-টু-ব্যাক বড় শিরোপা। গত ১৪ জুলাই মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে আসরের ফাইনালে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারায় আলবিসেলেস্তেরা। ১১২ মিনিটে আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোল করেন লাউতারো মার্টিনেজ।
এ বছর ১৭তম ইউরোর শিরোপা জিতেছে স্পেন। তারুণ্যনির্ভর স্পেন দল বার্লিন অলিম্পিক স্টেডিয়ামের ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে চতুর্থবারের মতো ইউরো জয় করে। লামিনে ইয়ামাল, রদ্রি, গাভির মতো তরুণরা এবারের ইউরোতে স্পেনকে করে তোলেন অপ্রতিরোধ্য। তাদের হাত ধরেই আসে চতুর্থ শিরোপা।
এদিকে ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ মুকুট উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতে নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রাজা খ্যাত রিয়ালের এটা রেকর্ড ১৫তম শিরোপা। ১ জুন লন্ডনের ওয়েম্বলি ফাইনালে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে ২-০ গোলে হারায় লস ব্লাঙ্কোসরা।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটি, স্প্যানিশ লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদ, ইতালিয়ান সিরি-এ লিগে ইন্টার মিলান, জার্মান বুন্দেসলিগায় লেভারকুসেন ও ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে প্যারিস সেন্ট জার্মেই চ্যাম্পিয়ন হয়।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অনবদ্য পারফর্ম করা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবার ব্যালন ডি’র পুরস্কারের বড় দাবিদার ছিলেন। যদিও তাকে হতাশ করে পুরস্কারটি জিতে নেন ম্যানচেস্টার সিটির ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার রদ্রি। হতাশা থেকে ভিনিসিয়ুস ও গোটা রিয়াল মাদ্রিদ কন্টিনজেন্ট এবারের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার অনুষ্ঠান বয়কট করেন। অবশ্য ডিসেম্বরে ‘ফিফা দ্য বেস্ট’ পুরস্কারটি জিতে কষ্ট কিছুটা হলেও ভুলতে পেরেছেন ভিনিসিয়ুস। ব্যালন ডি’অরে এ বছর মেয়েদের বিভাগে বার্সেলোনার আইতানা বোনামাতি সেরা হন। ব্যালন ডি’অরের মতো তিনি ‘ফিফা দ্য বেস্ট’ পুরস্কারও জিতেছেন টানা দুবার।










