সিলেটে শ্রীলংকার বিপক্ষে
সিরিজের প্রথম টেস্টে ৫১১ রানের বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে গতকাল রোববার ১৩ ওভারে
৩৭ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। মুমিনুল হক (৭) ও তাইজুল ইসলাম (৬) অপরাজিত
থেকে মাঠ ছাড়েন। আজ সোমবার চতুর্থ দিন ২৫ ওভারের প্রথম সেশনে ২ উইকেট হারিয়ে ৮২ রান
তুলেছে স্বাগতিকরা। টেল-এন্ডার শরিফুল ইসলামকে নিয়ে লড়ে যাচ্ছেন মুমিনুল হক সৌরভ। ৭
উইকেটে ১২৯ রান তুলে মধ্যাহ্নভোজে যায় বাংলাদেশ। মুমিনুল ৪৬ ও শরিফুল ৩ রানে অপরাজিত
রয়েছেন। ম্যাচ জিততে এখনো ৩৮২ রান প্রয়োজন বাংলাদেশের, সিংহলিজদের প্রয়োজন ৩ উইকেট।
তাইজুল আজ সকালে নামের
পাশে কোনো রান যোগ করতে পারেননি। দিনের তৃতীয় ওভারে কাসুন রাজিথার বলে লেগ বিফোর হয়ে
যান তিনি। এরপর সপ্তম উইকেটে মুমিনুল ও মেহেদী হাসান মিরাজ ১০৫ বলে ৬৬ রানের পার্টনারশিপ
গড়ে দলের সংগ্রহ একশ পার করান। মিরাজ ৫০ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৩৩ রান করে সাজঘরে ফিরে
যান কাসুন রাজিথার শিকার হয়ে।
চলছে মুমিনুলের নিঃসঙ্গ
লড়াই। বাংলাদেশের সাবেক টেস্ট অধিনায়ক ১১২ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৪৬ রান নিয়ে লংকানদের
জয়ের পথে বাধা আছেন।
প্রথম ইনিংসে ১৮৮ রানে
অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং ভরাডুবি বাংলাদেশের। ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড়
লজ্জার সামনে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। রানের হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হারটি শ্রীলংকার
বিপক্ষে। ২০০৯ সালে চট্টগ্রামে ৬২৪ রান তাড়া করতে নেমে ৪৬৫ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ।
২০১৩ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের কাছে ৩৩৫ রানের হারটি রয়েছে তালিকার দুইয়ে।










