সেঞ্চুরিয়নে প্রথম ওয়ানডে জিতে নেয়
বাংলাদেশ। সেখানেই বুধবার সিরিজ জয়ের মিশনে নামছে তামিম ইকবালের দল। সুপারস্পোর্ট
পার্কে এসেছে ইতিহাস গড়া জয়। মাঝে জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে হারলেও
সুপারস্পোর্টস পার্ক বলেই সিরিজ জয়ের আশা জেগেছে বাংলাদেশের।
এ সফরের আগে গত ২০ বছরে টেস্ট, ওয়ানডে কিংবা টি২০তে
দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে কখনই জয় নিয়ে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। সব সংস্করণ মিলিয়ে ২০
বারের প্রচেষ্টায় সেঞ্চুরিয়নে গত শুক্রবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জয় পায়
বাংলাদেশ। এটাই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টাইগারদের প্রথম জয়। জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচটি জিততে
পারলে সিরিজ বাংলাদেশের হতো। কিন্তু সে ম্যাচটি ৭ উইকেটে হেরে বসে সফরকারীরা। ফলে
তিন ম্যাচের সিরিজের বর্তমান অবস্থা ১-১ সমতা।
এতে আগামীকালের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি
হয়ে দাঁড়িয়েছে সিরিজ নির্ধারণী। সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে বাংলাদেশ সময়
বিকেল ৫টায় ম্যাচটি শুরু হবে। বাংলাদেশের সামনে হাতছানি দিচ্ছে ‘যেখানে প্রথম জয়, সেখানে সিরিজ জয়’র।
সুপারস্পোর্ট পার্কে একটি ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা
বাংলাদেশের, ওই একটিতেই
এসেছে জয় (সিরিজের
প্রথম ওডিআই)। এ মাঠে টাইগাররা
একটি টেস্ট খেলেছে ২০০৮ সালে।
বাংলাদেশ কালকের এ ম্যাচে অপরবর্তিত দল
নিয়েই মাঠে নামতে পারে। শেষ ওয়াডেতে নামার আগে সংশয় তৈরি হয়েছিল সাকিব আল হাসানকে
ঘিরে। দেশে অসুস্থ হয়ে সাকিবের মা, সন্তান ও শাশুড়ি হাসপাতালে ভর্তি। এ পরিস্থিতিতে তার দেশে ফেরার কথা থাকলেও
তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কাল তৃতীয় ওয়ানডে খেলেই তারপর দেশের পথে রওনা হবেন।
প্রথম ম্যাচে টপ অর্ডারদের ব্যাটে বড় পুঁজি
পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডারের ব্যাটিং
ব্যর্থতা বড় সংগ্রহ পায়নি তামিম ইকবালের দল। ফলে ম্যাচটি হারতে হয় বড় ব্যবধানে।
তবে লোয়ার অর্ডারে দারুণ ব্যাটিং করেছেন আফিফ হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
বোলিংয়ে মুস্তাফিজুর রহমানকে এখনো স্বরূপে
দেখা যায়নি। দুই ম্যাচেই উইকেটশূন্য বাংলাদেশে সেরা পেসার। মুস্তাফিজ শিকারে ফিরলে
স্বপ্নপূরণের কাজটি সহজ হতে পারে বাংলাদেশের।










