চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম ইনিংসে রান সৌধ গড়ার দিকে এগোচ্ছে শ্রীলংকা। তিন ফিফটিতে ৪ উইকেটে ৩১৪ রান নিয়ে আজ রোববার দ্বিতীয় দিন মাঠে নামা সিংহলিজরা প্রথম সেশনে ২৮ ওভার ব্যাটিং করে ১ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ৯৭ রান। ৫ উইকেটে ৪১১ রান নিয়ে মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে যায় দলটি। এ প্রতিবেদন লেখার সময় অতিথিদের সংগ্রহ ৪১৫/৬। কামিন্দু মেন্ডিস ১৭ ও প্রবথ জয়সুরিয়া ৪ রানে ব্যাট করছিলেন।

 

দিনেশ চান্দিমাল ৩৪ ও ধনাঞ্জয়া ১৫ রানে অপরাজিত থেকে আজ সকালে ব্যাটিংয়ে নামেন। চান্দিমাল ১০৪ বলে ৫৯ রান করে সাকিব আল হাসানের শিকার হন। আউট হওয়ার আগে ধনাঞ্জয়ার সঙ্গে ৮৬ রানের জুটি গড়েন শ্রীলংকার সাবেক অধিনায়ক।

 

প্রথম ঘণ্টায় উইকেট বোলারদের খানিকটা সাহায্য করলেও পরে তেমনটি আর দেখা যায়নি। বরং সাবলীল ব্যাটিংয়ে দলের সংগ্রহটা বড় করতে থাকেন ধনাঞ্জয়া ও কামিন্দু। এ দুজন মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি পর্যন্ত ৩৬ রানের জুটি গড়ে অবিচ্ছিন্ন ছিলেন। যদিও দ্বিতীয় সেশন শুরুর পর ধনাঞ্জয়া কোনো রান যোগ করার আগেই তাকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন পেসার খালেদ আহমেদ।

 

এই মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে সাতশোর্ধ্ব দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড আছে শ্রীলংকার। ২০১৮ সালে কুশল মেন্ডিসের ১৯৬, ধনাঞ্জয়ার ১৭৩ ও রোশেন সিলভার ১০৯ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ৭১৩ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছিল সিংহলিজরা। বাংলাদেশের হয়ে মুমিনুল হক দুই ইনিংসেই করেছিলেন সেঞ্চুরি। টেস্টটি ড্র হয়েছিল। এবার কি সেই লড়াই ফিরিয়ে আনতে পারবে বাংলাদেশ?

 

এছাড়া জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ২০১৪ সালে ৫৮৭ রানের ইনিংস আছে শ্রীলংকার। যদিও বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহটা মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। ২০২২ সালে ৬ উইকেটে ৭৩০ রানের সৌধ গড়েছিল তারা।

 

দুই টেস্টের সিরিজে শ্রীলংকা ১-০তে এগিয়ে রয়েছে। চট্টগ্রামে আগে পাঁচ টেস্টের মুখোমুখিতে বাংলাদেশ কখনই জিততে পারেনি।