বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে লাল কার্ড পেয়ে বহিষ্কৃত হলেও তারা এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেয়েছেন। কাতারের ডিফেন্ডার তারেক সালমানের দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেয়া হয়েছে।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো ও ছয়টি মহাদেশীয় ফুটবল সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ প্যানেল আর্জেন্টিনা ও একুয়েডরের দুই খেলোয়াড়কে নিয়ে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত দেয়। এ নিয়ে এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, ফিফা চেয়েছে যেন দলগুলো নিজেদের সম্ভাব্য শক্তিশালী দল নিয়েই টুর্নামেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে।

এর আগে আরেক নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে ফিফা জানিয়ে দেয়, গত নভেম্বরে বাছাইপর্বে পর্তুগালের শেষের আগের ম্যাচে এক খেলোয়াড়কে কনুই দিয়ে আঘাত করা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বিশ্বকাপের একটি ম্যাচও মিস করবেন না। তিনি তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। এরই মধ্যে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ভোগ করেছেন। বাকি দুটি ম্যাচের জন্য ‘স্থগিত নিষেধাজ্ঞা’ দিয়ে রেখেছে ফিফা, যা প্রযোজ্য হবে আগামী এক বছরের জন্য।

গত সেপ্টেম্বরে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে একুয়েডরের ম্যাচে ওতামেন্দি ও কাইসেদো উভয়কেই সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়। গোলমুখে আগুয়ান অ্যাটাকারকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড পান ওতামেন্দি, আর দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পেয়ে লাল কার্ড দেখেন কাইসেদো। তাদের দুজনের বাধ্যতামূলক এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা বিশ্বকাপের পরে কোনো টুর্নামেন্টে ভোগ করতে হবে।

আগামী ১৬ জুন কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে আর্জেন্টিনা। দলে ডাক পেলে এটা হবে ৩৮ বছর বয়সী ওতামেন্দির চতুর্থ ও শেষ বিশ্বকাপ। এর আগে ২০১০, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে খেলেছেন বেনফিকার সেন্টার ব্যাক। কাতারে তিনি আর্জেন্টিনার হয়ে সাত ম্যাচের পুরোটা সময় খেলেছেন।

এদিকে একুয়েডর ১৪ জুন ফিলাডেলফিয়ায় বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ খেলবে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে। ২৪ বছর বয়সী চেলসি মিডফিল্ডার কাইসেদো চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপেও খেলেছেন।