ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে (ডিপিএল) মোহামেডান
স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে খেলার কথা ছিল সাকিব আল হাসানের। কিন্তু জাতীয় দলের সঙ্গে
দক্ষিণ আফ্রিকা সফর এবং পরে পারিবারিক কারণে দলটির হয়ে খেলা হয়নি এই অলরাউন্ডারের।
একই কারণে খেলেননি মুশফিকুর রহিম, তাসকিন
আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের। তারকাদের ছাড়া দলটি সুপার লিগে উঠতে ব্যর্থ হয়।
তারকাদের যখন খেলার সুযোগ এলো তখন তো মোহামেডানই বিদায় নিয়েছে। তবে এবারের ডিপিএলে
খেলবেন সাকিব। তিনি সুপার লিগে খেলবেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে।
বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন
মোহামেডানের ক্রিকেট কমিটির কো-অর্ডিনেটর
এ জি এম সাব্বির।
সাকিবের চাওয়াতেই তাকে রূপগঞ্জে খেলতে ছেড়ে
দিচ্ছে মোহামেডান। এ প্রসঙ্গে সাব্বির বলেন, আমাদের
সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সাকিব আল হাসান নিজেই, রূপগঞ্জ
নয়। সাকিব পরে জানিয়েছেন, রূপগঞ্জের
সঙ্গে তার কথাও হয়েছে। তার অনাপত্তিপত্র চাওয়ার ভিত্তিতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি
তাকে অব্যাহতি দেয়ার।
তবে এখনো এ ব্যাপারে ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা
মেট্রোপলিসকে (সিসিডিএম) অবহিত করা হয়নি বলে জানান সিসিডিএম
চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, কোনো
ক্রিকেটারের দলবদলের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয়ের দরকার পড়ে। প্রথমত, মোহামেডানকে অনাপত্তিপত্র দিতে হবে।
দ্বিতীয়ত, সাকিবের
সম্মতিপত্র লাগবে। আর সবশেষে, লিজেন্ডস
অব রূপগঞ্জকে দিতে হবে একটি স্বীকৃতিপত্র যে সাকিব তাদের হয়ে খেলবে। এগুলো
সিসিডিএমে এসে পৌঁছলে যাচাই-বাছাই করে
অনুমতি দেয়া হবে। তবে সাকিবের ব্যাপারে এখনো কোনো কিছুই আমাদের কাছে আসেনি।
ডিপিএলের বাইলজ অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় দলের হয়ে একটিও ম্যাচ না খেললে
এবং তার দল বিদায় নিলে অনুমতি সাপেক্ষে সেই খেলোয়াড় অন্য দলের হয়ে খেলতে পারবেন।
সেই নিয়মের সুবিধাই নিচ্ছেন সাকিব। যেমনটা মুশফিকুর ও মিরাজ নিয়েছেন। মোহামেডান
ছেড়ে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবে যোগ দিয়েছেন মুশফিক ও মিরাজ।
সুপার লিগের এক রাউন্ড শেষ। দ্বিতীয়
রাউন্ডের খেলা বৃহস্পতিবার। সেদিন প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে খেলবে লিজেন্ডব অব
রূপগঞ্জ। হয়তো ওই ম্যাচেই মাঠে নামবেন সাকিব।










