অ্যান্টিগায় সিরিজের প্রথম টেস্টে ২০১ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ। মূলত ব্যাটিং ব্যর্থতায় হেরেছে বাংলাদেশ। ৩৩৪ রানের টার্গেটে নেমে ন্যূনতম লড়াইটুকুও করতে পারেনি মেহেদী হাসান মিরাজের দল। তারা গুটিয়ে যায় ১৩২ রানে। সেই ক্ষত না শুকাতেই আজ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে নামতে হচ্ছে। এবার ভেন্যু ক্রিস গেইলের দেশ, উসাইন বোল্টের দেশ জ্যামাইকার স্যাবাইনা পার্ক। ২০০৪ ও ২০১৮ সালের পর এই ভেন্যুতে তৃতীয়বারের মতো টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। আগের দুই ম্যাচের মতো এবারো কি হারের স্বাদ পাবে টাইগাররা, নাকি স্যাবাইনা পার্কে ১-২ করতে সমর্থ হবেন মিরাজরা?

অ্যান্টিগায় হারের পর হতাশা নিয়ে মিরাজ বলেছেন, ব্যাটিং হতাশ করেছে তাদের। তবে দলের বোলিংয়ের প্রশংসা করেন তিনি। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট শিকার করা পেস বোলার তাসকিন আহমেদের ভূয়সী প্রশংসা করেন অধিনায়ক। এ সময় তিনি বলেন, ভুলগুলো শুধরে উঠে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াবেন তারা। স্যাবাইনা পার্কে ঘুরে দাঁড়ানোর সেই চ্যালেঞ্জ এসেছে তাদের সামনে। আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্টের খেলা।

তিন বছরেরও বেশি সময় পর স্যাবাইনা পার্কে টেস্ট ম্যাচ হচ্ছে। যদিও এ ম্যাচে নিয়মিতই কোনো না কোনো ফরম্যাটে খেলে ক্যারিবীয়রা এবং এ ভেন্যুতে তারা সব সময়ই ফেভারিট। এ ম্যাচটি জিতে বাংলাদেশকে ২-০তে হোয়াইটওয়াশ করার হাতছানি তাদের সামনে।

২০২২ সালের জুলাইয়ের পর আবার কোনো দলকে হোয়াইটওয়াশ করার সুযোগ এসেছে ক্রেগ ব্র্যাথওয়েটের দলের সামনে। সর্বশেষবারও তাদের শিকার ছিল বাংলাদেশ।

বাংলাদশ দলে আজ একাধিক পরিবর্তন আসতে পারে। ব্যাটিংয়ে সাদমান ইসলাম ও মাহিদুল ইসলাম উভয়ই কিংবা একজন সুযোগ পেতে পারেন। পেস বোলিং বিভাগে শরিফুলকে বসিয়ে নাহিদ রানাকে খেলাতে পারে বাংলাদেশ।

সিরিজের দুটি ম্যাচই ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। ৯ দলের এই চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশ রয়েছে সবার শেষে। ক্যারিবীয়রা ১০ ম্যাচে ২ জয়ে ৩২ পয়েন্ট (২৬.৬৭ শতাংশ) টেবিলের আটে ও বাংলাদেশ ১১ ম্যাচে ৩ জয়ে ৩৩ পয়েন্ট (২৫ শতাংশ) নিয়ে নয় নম্বরে অবস্থান করছে। দুই দলের কারোরই আর ফাইনালে খেলার সুযোগ নেই। তবু গৌরবের জন্য, টেবিলে অবস্থান সংহত করতে জয় চায় উভয় দল।