চলতি বছর চারটি শিশুতোষ সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত সিনেমা ছিল আম কাঁঠালের ছুটি। দেশ ও আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে সিনেমাটি। শরীফ উদ্দিন সবুজের ছোটগল্প অবলম্বনে শিশুতোষ ঘরানার এ সিনেমা নির্মাণ করেন মোহাম্মদ নূরুজ্জামান।
চলতি বছর বিভিন্ন উৎসবে আম কাঁঠালের ছুটি প্রদর্শিত হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার একযোগে দেশের ৬৩ জেলায় দেখানো হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ এ সিনেমা। আর আজ ঢাকায় সিনেমাটি দেখানো হবে সন্ধ্যা ৬টায় একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে। এমনটাই জানালেন এর নির্মাতা মোহাম্মদ নূরুজ্জামান।
নির্মাতার বলেন, ‘আম কাঁঠালের ছুটি সিনেমা হল থেকে চলে যাওয়ার পর সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্ন আমি শুনেছি তা হলো—সিনেমাটা কীভাবে দেখা যাবে? মানুষ আমার সিনেমা দেখার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে, কিন্তু তাদের আমি কোনো উপায় বলতে পারছি না। এটা আমার জন্য খুব বিব্রতকর। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি যখন তাদের দেশব্যাপী ৬৪ জেলায় “গণ জাগরণের চলচ্চিত্র উৎসব”-এ এটি দেখাতে চাইল, তখন একে একটা সুযোগ বলেই মনে হয়েছে আমার কাছে।’
এ সিনেমা প্রযোজনা ও পরিচালনার পাশাপাশি চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা, চিত্রগ্রহণ, সম্পাদনা ও সাউন্ড ডিজাইন করেছেন মোহাম্মদ নূরুজ্জামান নিজেই। এর প্রধান সহকারী পরিচালক ছিলেন ‘আদিম’খ্যাত নির্মাতা যুবরাজ শামীম। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুবায়ের, লিয়ন, আরিফ, হালিমা, তানজিল, ফাতেমা ও কামরুজ্জামান কামরুল।
রাশিয়ার চেবাক্সারিতে অনুষ্ঠিত চেবাক্সারি আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে সিনেমাটি। গত বছর ৩ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত জগজা নেটপ্যাক এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আম কাঁঠালের ছুটি সিনেমার ইন্টারন্যাশনাল প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এছাড়া এশিয়ান পার্সপেক্টিভ বিভাগে ছবিটির আরো একটি প্রদর্শনী হয়।










