এতদিন গোপন রাখা নিজের গর্ভাবস্থা নিয়ে মুখ খুলেছেন ব্রিটিশ গায়িকা এলেনা জেন গোল্ডিং (এলি গোল্ডিং)। এ সময়টাকে একান্তই ব্যক্তিগত বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।
বলেছেন, ‘এটি একটি সুন্দর, ব্যক্তিগত সময়।
আমিও নিজের মতোই সময়টা কাটাতে চাই।’
এপ্রিলে ছেলে আর্থারকে স্বাগত জানান এ গায়িকা।
মাতৃত্ব সম্পর্কে এলি বলেন, ‘প্রতিটি নতুন মায়ের জন্য এটা ভীতিকর।
আমি বুঝতে পেরেছিলাম, আমার নিজের মতো থাকার এবং নতুন জিনিস জানার সুযোগ হয়েছে।
এজন্য আমি নিজেকে একটু একটু করে প্রস্তুত করেছি।
আমার শরীর, আমার মনের সঙ্গে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করেছি।’ মাতৃত্ব গ্রহণ করে তিনি প্রতিনিয়ত নতুন নতুন জিনিস শিখছেন বলেও মন্তব্য করেছেন।
নতুন মা হওয়ার বিষয়ে এলি গোল্ডিং বলেন, ‘এটি অবশ্যই একটি আশীর্বাদ ছিল যে আমি শান্ত গর্ভাবস্থা পেয়েছিলাম।
এটা খুব জরুরি।
আবার কঠিনও।
বিশেষ করে যারা কাজের মধ্যে থাকে তাদের জন্য।
আমি সন্তান প্রসবের তিন থেকে চার সপ্তাহ পরে স্টুডিওতে ফিরে গিয়েছিলাম।
আমি সবকিছু সামঞ্জস্য করতে পারতাম।
যদিও এটি চ্যালেঞ্জিং।’
৩২ বছর বয়সী এ তারকার পুরো নাম এলেনা জেন গোল্ডিং।
১০ বছরের সংগীতজীবনে এরই মধ্যে বিশ্বসংগীতাঙ্গনে জনপ্রিয় মুখ হয়ে উঠেছেন এলি গোল্ডিং।
ট্রেসি এবং আর্থার গোল্ডিং দম্পতির এই মেয়ে আর দশটা সাধারণ পরিবারের মতোই বেড়ে উঠেছেন।
সীমাবদ্ধতা থাকলেও দমে যাননি তিনি।
সাধনা করেছেন।
নিজেকে মেলে ধরেছেন।
জীবনে এখন তারই ফল পাচ্ছেন।
২০১০ সালে বিবিসির বার্ষিক পুলের শীর্ষস্থানে পৌঁছান এবং ‘বিবিসি সাউন্ড অব ২০১০’
অর্জন করেন।
একই বছর ব্রিট অ্যাওয়াডর্স ক্রিটিকস শাখায়ও পুরস্কার জেতেন।
ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাজারে আসে তার প্রথম স্টুডিও অ্যালবাম
‘লাইটস’। প্রকাশের পর পরই এটি দখল করে ইউকে অ্যালবামস চার্টের শীর্ষস্থান।
২০১১ সালে গ্ল্যামার ম্যাগাজিন অ্যাওয়ার্ডসের বর্ষসেরা নতুন শিল্পীর পুরস্কার জেতেন এলি।
২০১৩ সালে এ গানের সুবাদে ভেভো সার্টিফাইড অ্যাওয়াডর্স জিতেছেন তিনি।
ওই একই বছর ব্রিট অ্যাওয়ার্ডে ‘বার্ন’ গানের জন্য বেস্ট ফিমেল সলো আটির্স্ট এবং জিআইএমটিভি জিমি অ্যাওয়ার্ডসে বেস্ট ফিমেল ইন্টারন্যাশনাল বিভাগেও পুরস্কার পেয়েছেন।
এরই মধ্যে তৃতীয় স্টুডিও অ্যালবামের কাজ প্রায় শেষ করেছেন এলি।
এটি যে আগের দুটি অ্যালবামকে ছাড়িয়ে যাবে তা নিশ্চিতভাবেই বলে ফেলা যায়।
সূত্র: ইয়াহু নিউজ









