প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন চিত্রায়ণের প্রয়াসে নির্মিত ‘সাঁতাও’। খন্দকার সুমন পরিচালিত গণঅর্থায়নে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমাটি দেখে মুক্তির পর প্রশংসা কুড়াচ্ছে। একাধিক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শিত হয়েছে সিনেমাটি। এবার ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব ত্রিশুরে (ইন্ডিয়া) মনোনীত হয়েছে সাঁতাও। আগামী ৩-১০ মার্চ ভারতের কেরালার ত্রিশুর শহরে অনুষ্ঠিত হবে উৎসবের ১৮তম এ আসর। এ উৎসবে ‘ফিপ্রেসকি ইন্ডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২৩’-এর ‘বেস্ট ডেব্যু ইন্টারনাশনাল’ বিভাগে প্রদর্শিত হবে সিনেমাটি। কৃষকের সংগ্রামী জীবন, নারীর মাতৃত্বের সর্বজনীন রূপ এবং সুরেলা জনগোষ্ঠীর সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার গল্প চলচ্চিত্রের পর্দায় হাজির করেছে ‘সাঁতাও’। সিনেমাটার মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন আইনুন পুতুল ও ফজলুল হক। পরিচালনার পাশাপাশি সিনেমাটির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন খন্দকার সুমন।
সিনেমাটির অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন আব্দুল্লাহ আল সেন্টু, মো. সালাউদ্দিন, সাবেরা ইয়াসমিন, স্বাক্ষ্য শাহীদ, শ্রাবণী দাস রিমি, তাসমিতা শিমু, মিতু সরকার, ফারুক শিয়ার চিনু, আফ্রিনা ও তিস্তাবাজার এলাকাবাসী।
২১তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের বাংলাদেশ প্যানোরমা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্র অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে খন্দকার সুমন পরিচালিত সাঁতাও। গত নভেম্বরের শেষে এশিয়ার অন্যতম চলচ্চিত্র উৎসব ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব ইন্ডিয়া (আইএফএফআই) অনুষ্ঠিত হয়েছে ভারতের গোয়ায়। ওই উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছিল সাঁতাও। ভারতের মহারাষ্ট্রে অজন্তা-ইলোরা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অষ্টম আসরেও দেখানো হয়েছে এ সিনেমা।
২০১৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এ সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছিল। পরবর্তী বছর মুক্তির কথা থাকলেও নভেল করোনাভাইরাসের কারণে তা থেমে যায়। গত ২৭ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় সাঁতাও।










