ওয়ার্নার ব্রাদার্সের বিগ বাজেটের সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন পল থমাস অ্যান্ডারসন ও অভিনয়ে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। সিনেমাটির সূচনা বেশ ভালোই হয়েছে বলা যায়। শুক্রবার ও আগাম প্রদর্শনী মিলিয়ে উত্তর আমেরিকায় ৩ হাজার ৬৩৪টি স্থানে মুক্তি পেয়েছে। সিনেমাটি ওপেনিংয়ে আয় করেছে ৮৮ লাখ ডলার। আয়ের দিক থেকে কম মনে হলেও আসলে কম নয়। সিনেমাটি নির্মাণ হয়েছে ১৩ কোটি ডলার ব্যয়ে। পাশাপাশি এটি আদায় করে নিয়েছে সমালোচকদের প্রশংসা। সিনেমাস্কোর এটিকে দিয়েছে ‘এ’ রেটিং। আইম্যাক্স, ৭০ মিমি ও ভিস্টাভিশনসহ বিলাসবহুল প্রদর্শনী ফরম্যাটে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। তাই ধারণা করা হচ্ছে বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি ২ থেকে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ওপেনিং পাবে।

লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও আসলে এখন আর বক্স অফিস তারকা বা অভিনেতা নন। সিনেমার একটি প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছেন তিনি। এছাড়া লিওর সিনেমা মানেই যেন ‘ভালো সিনেমা’। দর্শক তার সিনেমা দেখতে যান একটা ভালো অভিজ্ঞতা নেয়ার জন্য। সেদিক থেকে দেখা যায় সময় যত গড়ায়, লিওনার্দোর সিনেমার প্রশংসা, আয় সবই বাড়তে থাকে। কাছাকাছি সময়ে বড় অন্য কোনো সিনেমা না থাকায় ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদারের সুযোগ আছে ফাঁকা মাঠে গোল দেয়ার।

38

ইউনিভার্সালের ব্যানারে মুক্তি পেয়েছে ‘গ্যাবিস ডলহাউজ: দ্য মুভি’। শিশুতোষ সিনেমাটি আয় করেছে ৪৩ লাখ ডলার। ধারণা করা হচ্ছে এটি ১ কোটি ৩৬ লাখ ডলারের ওপেনিং পাবে। নেটিফ্লিক্সের জনপ্রিয় সিরিজের ওপর ভিত্তি করে নির্মাণ হয়েছে এটি।

লায়নসগেটের হরর সিকুয়াল ‘দ্য স্ট্রেঞ্জারস: চ্যাপ্টার টু’। সিনেমাটি ২৪ লাখ ডলার আয় করেছে এবং এর ওপেনিং আয় হতে যাচ্ছে মাত্র ৫৬ লাখ ডলার। প্রথম পর্বের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছে সিনেমাটি। সমালোচক ও দর্শকরা বিরূপ প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন সিনেমার। তবে এর বাজেটও কম। মাত্র ৮৫ লাখ ডলারে নির্মিত এ সিনেমা।

আগে মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলোর মধ্যে আছে ‘ডেমন স্লেয়ার: ইনফিনিটি ক্যাসল’। সিনেমাটি তৃতীয় সপ্তাহে ৬৮ লাখ ডলার আয় করে মোট ১১ কোটি ৭৮ লাখ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এদিকে ‘দ্য কনজুরিং: লাস্ট রাইটস’ চতুর্থ সপ্তাহে ১৬ কোটি ১০ লাখ ডলার আয় পূর্ণ করে ফ্র্যাঞ্চাইজির সবচেয়ে বড় হিট হয়ে উঠেছে।

ইউনিভার্সালের ‘হিম’ দ্বিতীয় সপ্তাহে ২ কোটি ডলার মোট আয়ে এসে পৌঁছেছে। ৭১ শতাংশ পতন হয়েছে এর আয়ে। সোনির ‘আ বিগ বাল্ড বিউটিফুল জার্নি’ দ্বিতীয় সপ্তাহে মাত্র ১২ লাখ ডলার আয় করেছে। সিনেমাটির মোট আয় ৫৯ লাখ ডলার। সাড়ে ৪ কোটি ডলারে নির্মিত সিনেমাটির বাজেটের তুলনায় এ আয় খুবই হতাশাজনক।

সূত্র: ভ্যারাইটি