বাধ্যতামূলক মিলিটারি সার্ভিস থেকে কে পপ ব্যান্ড দল বিটিএসের সদস্যদের অব্যাহতি দেয়া যায় কিনা সে বিষয়ে একটি জরিপ পরিচালনা করবে দক্ষিণ কোরিয়া। ব্যান্ডের সাত সদস্যের সক্রিয় সেনাসদস্য হওয়ায় এখন সে দেশে সবচেয়ে আলোচ্য বিষয়। কারণ ব্যান্ড দলের ৩০ বছর বয়সী জিন আগামী ডিসেম্বরে তালিকাভুক্তির মুখোমুখি হচ্ছেন।
আইন অনুযায়ী দক্ষিণ কোরিয়ার সব সুস্থ-সবল জনগণকে ১৮-২১ মাস অবশ্যই সেনাবাহিনীতে কাজ করতে হয়। উত্তর কোরিয়ার আক্রমণের ঝুঁকি থেকে নিজেদের প্রতিরোধে দেশটিতে এমন আইন প্রচলিত।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লি জং সুপ আইনপ্রণেতাদের জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত জরিপ পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় আরো বেশকিছু বিষয়ের ওপর নজর রাখবে, যেমন বিটিএসের অর্থনৈতিক প্রভাব, সামরিক পরিষেবার গুরুত্ব এবং মোটের ওপর জাতীয় স্বার্থ।
তবে পরবর্তী সময়ে আরেক বিবৃতিতে পরিষ্কার করা হয়, দ্রুত জরিপ শুরু করে দেয়ার বদলে এ জরিপ প্রয়োজনীয় কিনা তা পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন লি।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, কর্মকর্তাদের আরো বিস্তারিত পরীক্ষার কথা বলা হয়েছে। যেমন কোন এজেন্সি এ জরিপ পরিচালনা করবে, কত সময় দরকার হবে এবং কাকে জরিপ করা হবে। যদি এ জরিপ করাই হয়, তাহলে সেটা তৃতীয় কোনো সংস্থাকে দিয়ে করানো হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য সেনা বা এ-সংক্রান্ত কোনো কর্তৃপক্ষের হাতে পরিচালনার ভার থাকবে না।
মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, সামরিক পরিষেবা থেকে বিটিএসকে ছাড় দেয়ার অনেকগুলো কারণের একটি হবে জরিপের ফলাফল।
দক্ষিণ কোরিয়ায় সাধারণত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থান অর্জন করা অ্যাথলেট, মিউজিশিয়ান ও শিল্পীদের এক্ষেত্রে অব্যাহতি দেয়া হয়, কারণ তারা জাতীয় সম্মান সমুন্নত করেছে। একই দাবি এখন তোলা হচ্ছে কে পপ ব্যান্ড বিটিএসের জন্যও। চলতি বছরের শুরুতে করা একটি বেসরকারি জরিপে দেখা গিয়েছে, ৬০ শতাংশই বিটিএসকে অব্যাহতি দেয়ার পক্ষে।
সূত্র: গার্ডিয়ান










