হলে ৮১ লাখ দর্শকন্যাশনাল সিনেমা ডে উপলক্ষে ৩ সেপ্টেম্বর আমেরিকার থিয়েটার হলগুলোয় রেকর্ড পরিমাণ দর্শকের সমাগম ঘটে। এদিন সিনেমার টিকিট ক্রয়ে বিপুল ছাড় দেয়া হয়। স্থানীয় মাল্টিপ্লেক্সগুলোয় মাত্র ৩ ডলারের বিনিময়ে টিকিট বিক্রি করা হয়। ফলে সিনেমা ডে উদযাপন উপলক্ষে একদিনে সর্বোচ্চ পরিমাণ দর্শকের সমাগম হয় থিয়েটার হলগুলোয়ও। ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব থিয়েটার ওনার্স জানিয়েছে, হলগুলোয় তিল ধারণের জায়গা ছিল না। এদিন ৮১ লাখ মানুষ সিনেমা হলে গিয়েছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের তিন হাজারের অধিক মাল্টিপ্লেক্স মালিকরা গ্রীষ্মের তাপদাহের মধ্যে সিনেমা দেখতে লোকজনকে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা করেন। তাই এএমসি ও রেগালের মতো চেইন হলগুলো যেকোনো সিনেমার টিকিট মাত্র ৩ ডলারের বিনিময়ে বিক্রি করে। অবশ্য তেমন উল্লেখযোগ্য নতুন কোনো সিনেমা এদিন হলগুলোয় চলেনি। দর্শকনন্দিত সিনেমাগুলোর মধ্যে ছিল টপ গান: ম্যাভেরিক, ডিসি লিগ অব সুপার পেটস, বুলেট ট্রেইন, স্পাইডার ম্যান: নো ওয়ে হোম, দি ইনভাইটেশন, বিস্ট, মিনিয়নস: দ্য রাইজ অব গুরু, থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার, ড্রাগন বল সুপার: সুপার হিরো প্রভৃতি।

দিনটির উদযাপন উপলক্ষে দেশটির সিনেমা ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট জ্যাকি ব্রেনম্যান তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, সিনেমা দেখতে যাওয়া বিষয়টি আমরা উদযাপন করতে চাই, তাই আমরা এমন আয়োজনের ব্যবস্থা করেছি, অবশ্য সিনেমাপ্রেমীদের একটু ভিন্নধর্মী গ্রীষ্মকাল উপহার দেয়াও আমাদের লক্ষ্য ছিল।

এ সপ্তাহে আয়োজকরা অবশ্য বেশ ব্যস্ত উইকেন্ড কাটিয়েছেন। একই দিন যুক্তরাজ্যের লন্ডনেও ন্যাশনাল সিনেমা ডে উদযাপিত হয়। প্রায় ১৪ লাখ লোক এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করে এবং বিভিন্ন সিনেমা হলে সিনেমা দেখতে যায়। কভিড-পূর্ব সময়ের চেয়ে এ জনসমাগম প্রায় তিন গুণ বেশি। এর আগে অবশ্য ১৯৯৭ সালে লন্ডনে এরূপ একটি আয়োজন হয়েছিল। সেবারও প্রায় ১৩ লাখ টিকিট বিক্রি হয়েছিল।

সেপ্টেম্বরেই কয়েকটি নতুন ছবি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এর মধ্যে ১৬ সেপ্টেম্বর দ্য উইম্যান কিং, ২৩ সেপ্টেম্বর ডোন্ট ওরি ডার্লিং এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ব্রোস মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

 

সূত্র: ভ্যারাইটি