ধারাবাহিক নাটক ‘মাশরাফি জুনিয়র’ নাটকের শুটিং শুরু হচ্ছে আজ। সাজ্জাদ সুমনের পরিচালনায় নাটকটির চিত্রনাট্য করেছেন আসফিদুল হক ও সংলাপ মো. মারুফ হাসান। এতে অভিনয় করবেন শতাব্দী ওয়াদুদ, গোলাম ফরিদা ছন্দা, চিত্রলেখা গুহ, ফজলুর রহমান বাবু, রুনা খান, লুত্ফুর রহমান জর্জ, সাফানা নমনি, আনিন্দ, হামিম ও আরো অনেকে।

মন্ডা আর মণি দুই ভাই বোন। মন্ডার বয়স ১৩ আর মণির ১০। তাদের মা-বাবা নেই। পাশের বাড়িতেই থাকেন চাচা আর চাচি। গ্রামজুড়ে আসে উৎসবের মৌসুম। সামনে নির্বাচন। বর্তমান চেয়ারম্যানের ইচ্ছা চেয়ারম্যান কাপ দিয়েই মানুষকে দেখিয়ে দেবেন তার শক্তি। কিন্তু চেয়ারম্যানের এ কাপ পাওয়ার মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মন্ডা। পুঁচকে মন্ডাদের কাছে হেরে যাওয়া কিছুতেই মেনে নেবেন না চেয়ারম্যান, কিন্তু মন্ডা খেললে হেরে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই রাতের অন্ধকারে কে বা কারা মন্ডাকে তুলে নিয়ে যায়। মণি হারিয়ে ফেলে তার ভাই মন্ডাকে। পুলিশ আসে। এ ঘটনায় চেয়ারম্যানের হাত আছে সবাই বুঝতে পারলেও কেউ টু শব্দটি করে না। মণি জানে মন্ডা ফিরবে। যেখানে ক্রিকেট আছে, সেখানেই ফিরবে মন্ডা। ওদিকে চাচা জানায় মন্ডা হয়তো শহরেই চলে গেছে। কারণ শহরে ক্রিকেটারদের দাম আছে। মণিরও উচিত শহরে গিয়ে মন্ডাকে খোঁজা। মণিকে তাই আসতে হয় শহরে। শহরে এসে নতুন পরিবেশে মণি হয়ে ওঠে কাজের মেয়ে। একসময় তার সুযোগ ঘটে ক্রিকেট খেলার। মেয়ে বলে ছোট্ট মণির চুল কেটে ছেলেদের মতো সাজানো হয় তাকে। ক্রিকেটার মাশরাফির মতো খেলে বলে তার নাম দেয়া হয় মাশরাফি জুনিয়র। মাশরাফি জুনিয়র হয়ে টুর্নামেন্টে দারুণ খেলে মণি। ঘরে কাজের মেয়ে আর খেলার মাঠে মাশরাফি জুনিয়র—এ দ্বৈত সত্ত্বা নিয়ে শুরু হয় মণির নতুন জীবন। তবু জীবনে চলার ফাঁকে মণির চোখজোড়া ঠিকই খুঁজে ফেরে তার ভাই মন্ডাকে। মণির সঙ্গে কি কোনোদিন দেখা হবে মন্ডার? আর মেয়ে হয়ে ছেলে ছদ্মবেশে কতদিনই বা পারবে সে খেলা চালিয়ে যেতে—এ রকম এক কাহিনী নিয়ে এগোবে ধারাবাহিকটির গল্প।

দীপ্ত টিভির নিজস্ব স্টুডিওতে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুরু হচ্ছে নাটকটির শুটিং। নাটকটির আউটডোর শুটিংয়ের কাজ টাঙ্গাইলে শেষ হয়েছে লকডাউনের আগে। শতাধিক শিশু-কিশোরদের অডিশন নিয়ে সেখান থেকে নির্বাচিত শিশু-কিশোরদের নিয়ে শুরু হচ্ছে মাশরাফি জুনিয়র।