ট্রেলার মুক্তির পরই আলোচনার ঝড় তুলেছে বলিউড সিনেমা ‘কিল’। সে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে সিনেমা মুক্তির পরও। বলিউড নির্মাতা নিখিল নাগেশ ভাট পরিচালিত সিনেমা কিল মুক্তি পেয়েছে ৫ জুলাই। তবে মজার বিষয়, মুক্তির আগেই কিলের ইংরেজি রিমেকের স্বত্ব কিনে নিয়েছেন জন উইক নির্মাতা চাদ স্টাহেলস্কি। যে কারণে সিনেমাপ্রমীরা কিছুটা নড়েচড়ে বসে। ভারতে প্রতি বছর বেশ ভালোসংখ্যক অ্যাকশন সিনেমা তৈরি হয়। তবে কেন কিলকে আলাদাভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। 

সিনেমার গল্পের প্লট ভারতীয় সেনাবাহিনীর কমান্ডো অমৃত রাঠোরের অ্যাকশন নিয়ে এগিয়েছে। বলা যায় পুরো সিনেমাই ট্রেনে হয়েছে। 

সিনেমার প্রধান আকর্ষণ করিডোর অ্যাকশন। ট্রেনের বগিগুলোর মাঝের যে করিডোর আছে সে জায়গাজুড়েই ঘটেছে ডাকাত দলের সঙ্গে কমান্ডো অমিত ও তার সফর সঙ্গী আরো একজন কমান্ডোর লড়াই। ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের সিনেমা কিল। যেখানে চলন্ত ট্রেন পরিণত হয়েছে যাত্রীদের দুঃস্বপ্নে। ট্রেনের ৪০ ডাকাত যারা কেবল লুটপাট নয় প্রয়োজনে হত্যা করতেও দ্বিধা করে না। কিলের গল্প বলা যায় একজন প্রতিশোধে মরিয়া প্রেমিকের গল্প। তবে এ সিনেমার সবচেয়ে স্বচ্ছ বিষয় হচ্ছে নির্মাতা নিখিল প্রেম, ভালোবাসা কিংবা রোমান্স বাদ দিয়ে একেবারেই অ্যাকশন ঘরানার সিনেমায় রূপ দিতে পেরেছেন। তবে সিনেমার কিছু দৃশ্যে অ্যাকশনের পাশাপাশি আবেগের সমন্বয়ও দেখা গেছে। এছাড়া প্রথম ১৭ মিনিট পর এক মুহূর্তের জন্যও দর্শক শ্বাসরুদ্ধ অ্যাকশন সিন থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে না। 

সিনেমায় অভিনয়ের জন্য নামচরিত্রে থাকা অমৃত প্রশংসিত হয়েছেন ভারতীয় সিনেমা ক্রিটিক বা সমালোচকদের কাছ থেকেও। মূলত এ সিনেমার অ্যাকশন কোরিওগ্রাফিই দর্শক সমালোচকের মন জয় করেছে। বক্স অফিস আয়ের ক্ষেত্রে খুব বেশি ভূমিকা রাখতে পারছে না কিল। মুক্তির তিন সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী ৪৭ কোটি রুপি আয় করেছে। তবে প্রযোজনা সংস্থাসহ সিনেমার পুরো টিমের বিশ্বাস, প্রায় প্রতিদিন আগের চেয়ে বেশি দর্শক পাচ্ছে কিল। তাই আশা করা যাচ্ছে, সিনেমাটি বক্স অফিসে আরো শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে। 

সূত্র ও ছবি: পিংকভিলা