সবার দৃঢ় বিশ্বাস, পঙ্কজ ত্রিপাঠি ওয়েব সিরিজেই সবচেয়ে ভালো করবেন। অবশ্য সে বিশ্বাসে ভাটা পড়েনি। বরং ওটিটির প্রতি ভালোবাসা জমা হয়েছে খোদ পঙ্কজেরই। সর্বশেষ সিনেমা ‘শেরদিল: দ্য পিলিভিত সাগা’য় অভিনয় করে খুব শীতল রিভিউ পেয়েছেন এ অভিনেতা। আর এখন অপেক্ষা করছেন তার জনপ্রিয় ওয়েব শো ক্রিমিনাল জাস্টিসের তৃতীয় সিজন মুক্তির জন্য। হিন্দি ফিচার ফিল্মগুলো ওটিটি প্লাটফর্মে চলে আসাটাকে খুব ইতিবাচকভাবেই দেখছেন তিনি।
এক সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, ‘আমি খুবই ভাগ্যবান যে আমার সময়ে ওটিটি প্লাটফর্মগুলো রমরমা হয়ে উঠেছে। তবে কে কতগুলো স্ক্রিন পেল, কতগুলো কনটেন্টে কাজ করল সেটা মূল বিষয় নয়। মূল বিষয় হলো আপনার কাজে দম আছে নাকি। সেটা যদি থাকে তাহলে যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ আপনাকে দেখবেই। আর যদি গল্পটা ভালো না হয় তাহলে কেউই সেটা দেখবে না।’
সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে পঙ্কজ ত্রিপাঠির শর্টফিল্ম লালি। ছোট্ট এ গল্পটিও যে সবার ভালোবাসা পেতে পারে এবং ওটিটিতে ১ নম্বরে থাকতে পারে তা ভাবতেই পারেননি পঙ্কজ। তার মতে, ‘অন্যান্য প্লাটফর্মের তুলনায় সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা পেয়েছি ওটিটিতে। এমনকি লালির প্রমোশনও চালানো হয়নি, তবুও সেটা সবার ভালোবাসা পেয়েছে।’
ফিচার ফিল্মের তুলনায় ওটিটিকে একটু এগিয়ে রাখার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ওটিটি সহজেই আরো বেশি পরিমাণে দর্শকের কাছে পৌঁছে যায়। ছোট ছোট যে সিনেমা ঠিকভাবে মুক্তি পায় না, সেগুলো দেখার জন্য গ্রামের একটি তরুণ ছেলেকে অনেক দূর সফর করতে হয়। কিন্তু ওটিটি গ্রামের ওই তরুণের কাছেই পৌঁছে যায়। এটা শুধু একটি তরুণের গল্প নয়, শত শত হাজার হাজার বিভিন্ন বয়সীর গল্প। কীভাবে আর কেন তারা এত পথ পাড়ি দেবে? ওটিটিতে কিন্তু সেই সমস্যা নেই। ঘরে আরামদায়কভাবে বসে দর্শকরা আমাদের কাজ দেখতে পারেন। তারপর সেটাকে ভালোবাসাও দিতে পারেন আবার ছুড়েও ফেলতে পারেন। এভাবে তো আমরা দেশের বাইরের দর্শকদের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছি।’
তবে মহামারী-পরবর্তী সময়ে অভিনেতাদের পারিশ্রমিক নিয়ে সমস্যার বিষয়ে পঙ্কজ বলেন, ‘আমরা যখন কোনো কাজ করার জন্য যুক্ত হই, তখন শারীরিক, আবেগী ও মানসিকভাবে হই। বুঝে নিই কাজটা আমরা উপভোগ করব কিনা। কিন্তু সেই খুশি দিয়ে তো আর ঘর চলবে না, সেজন্য টাকার দরকার। সেটা অন্য যেকোনো ছোট গ্রাম থেকে উঠে আসা অভিনেতার জন্যই একইভাবে প্রয়োজনীয়।’
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










