বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। এবার বসেছে উৎসবের ৪৮তম আসর। হলিউডে চিত্রনাট্যকারদের ধর্মঘটে অন্যান্য চলচ্চিত্র উৎসবের মতো ছন্দপতন হয়েছে এ উৎসবেরও। অনেক তারকাই আসতে পারছেন না। তাই বলা হচ্ছে এবারের উৎসবে তারকা কম, কিন্তু মুখোশ বেশি। চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনা করা হয়েছে জাপানি নির্মাতা হায়াও মিয়াজাকির সর্বশেষ সিনেমা ‘দ্য বয় অ্যান্ড দ্য হেরন’ দিয়ে। ৮২ বছর বয়সী মিয়াজাকি সিনেমাটির কোনো প্রচারণা করছেন না। তাই উপস্থিত হননি প্রিন্স অব ওয়েলস থিয়েটারে সিনেমার প্রদর্শনীতে। কিন্তু তিনি না থাকলেও থিয়েটারে উপস্থিত হয়েছিলেন বহু আগ্রহী দর্শক। এ সিনেমা পছন্দ করেছেন তারা। সিনেমা শেষে মুহুর্মুহু করতালি পড়তে শুরু করে।
স্টুডিও ঘিবলির সিনেমা মানেই চমৎকার সব দৃশ্য। অ্যানিমেশনকে নতুন মাত্রায় নিয়েছিলেন হায়াও মিয়াজাকি। নব্বইয়ের দশকে তার বানানো অ্যানিমেশন নানা আবেগে মাতিয়েছে দর্শককে। তাকে সম্মাননা জানানোর জন্যই এ সিনেমা দিয়ে শুরু করা হয় উৎসব। এ নিয়ে টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের প্রধান নির্বাহী ক্যামেরন বেইলি বলেন, ‘আপনারা এ মুহূর্তে যা দেখতে যাচ্ছেন, আমার মনে হয় না আর কোনো সিনেমা বৈশ্বিক ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে এর চেয়ে বেশি প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে। আমার মনে হয় “দ্য বয় অ্যান্ড দ্য হেরন’’ স্টুডিও ঘিবলির সবচেয়ে পরিণত ও সুন্দরতম সিনেমা।’ তবে এ সিনেমাই হতে পারে মিয়াজাকির শেষ নির্মাণ। সে কথা মনে করিয়ে বেইলি বলেন, ‘হতে পারে আমরা তার শেষ নির্মাণটি দেখছি।’
মিয়াজাকি দিয়ে শুরু করা হলেও টরন্টো উৎসবের এবারের আসরটি জমজমাট হবে না, সে কথা এখন থেকেই বোঝা যাচ্ছে। সাধারণত প্রথম সারির নির্মাতা ও অভিনেতা-অভিনেত্রীরা টরন্টো উৎসবকে তাদের সিনেমা ও অভিনয় প্রচারের একটি বড় মাধ্যম হিসেবে দেখেন। কিন্তু এ বছর চাইলেও সেটা সম্ভব হচ্ছে না। কেননা রাইটার্স গিল্ড ও রেডিও-টেলিভিশন অভিনেতাদের ধর্মঘটের কারণে নিজেদের সিনেমার প্রচারে থাকছেন না বহু অভিনেতা-অভিনেত্রী, এমনকি নির্মাতাও।
সূত্র: ভ্যারাইটি










