বহুল প্রতীক্ষিত মার্ভেল সুপারহিরো সিনেমা ব্ল্যাক উইডো যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পেয়েছে ৯ জুলাই। মুক্তির পর পরই স্কারলেট জোহানসন অভিনীত ছবিটি মহামারী যুগের বক্সঅফিসের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ৪ হাজার ১৬০টি সিনেমা হলে ৩ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার আয় করেছে ব্ল্যাক উইডো। কভিড মহামারী শুরুর পর থেকে একদিনে কোনো ছবির এটাই সর্বোচ্চ আয়। রোববার শেষ হতে হতে ছবিটি ৮ কোটি ডলার ঘরে তুলেছে। আর তাতে ভেঙেছে কিছুদিন আগেই গড়া ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন ছবি এফনাইনের ৭ কোটি ডলারের রেকর্ড। উল্লেখ্য, ছবিটির প্রথম ট্রেলার প্রকাশের পর ২৪ ঘণ্টায় সেটি দেখা হয়েছিল ৭ কোটি বার, যা মহামারীর আগের সময়ের বিবেচনায়ও রেকর্ড ছিল।
মহামারী শুরুর পর ব্ল্যাক উইডোই সিনেমা হলে মুক্তি পাওয়া মার্ভেলের প্রথম সুপারহিরো ছবি। মুক্তির পর থেকেই নারী নির্মাতা কেট শর্টল্যান্ডের ছবিটি দর্শকদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে। ১২ বছরের কম বয়সী শিশু দর্শকদের ৮৬ শতাংশ ছবিটি পছন্দ করেছে। বড় পর্দার পাশাপাশি ছবিটি দেখা যাচ্ছে ডিজনি প্লাসে। এতে বক্স অফিসের আয়ে প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ব্ল্যাক উইডোর সাফল্য হলিউডের প্রযোজক ও হল মালিকদের উত্সাহিত করবে।
ব্ল্যাক উইডো নাতাশা রোমানফের ভূমিকায় আছেন স্কারলেট জোহানসন আর তার বোন ইয়েলেনা বেলোভার চরিত্রে ফ্লোরেন্স পাগ। নিজের চরিত্রটি নিয়ে ছবির প্রচারণার সময় স্কারলেট বলেছেন, ‘হঠাত্ই আমরা দেখি সে (নাতাশা) একেবারে একা এবং কোনো কিছুর সঙ্গেই তার সংযোগ নেই। নিজের ভেতরে থাকা দানবের মুখোমুখি হয় সে। আর এ কঠিন কাজে তার সহায় হয় ইয়েলেনা।’
ইউনিভার্সালের অ্যাকশন ছবি এফনাইন এখনো বক্সঅফিসে বেশ শক্তিশালী। ছবিটি মুক্তির পর মহমারীকালে টিকিট বিক্রি থেকে সবচেয়ে দ্রুত সময়ে ১০ কোটি ডলার আয় করে। হয়তো ব্ল্যাক উইডো সে রেকর্ডও ভেঙে দিতে পারে।
ব্ল্যাক উইডো ও এফনাইন হলিউডকে মহামারীর সংকট কাটিয়ে আবার ভালো সময়ের আশা দেখাচ্ছে।
সূত্র: ভ্যারাইটি










