দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবরকোন্ডা। অর্জুন রেড্ডি, ডিয়ার কমরেডের মতো সিনেমার জন্য তিনি জনপ্রিয়। এর বাইরেও নানা সামাজিক উন্নয়ন ও সেবামূলক কাজের জন্য তিনি দর্শক ও ভক্তদের কাছে প্রিয়। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে বিজয় অভিনীত ‘খুশি’। দীর্ঘ সময় ধরে শুটিং হয়েছে শিব নির্বাণ পরিচালিত এ সিনেমার। বিজয়ের বিপরীতে সিনেমায় অভিনয় করেছেন সামান্থা রুথ প্রভু। ১ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়া খুশি এরই মধ্যে তুলে নিয়েছে ৫৬ কোটি রুপি। সিনেমার বাজেট ছিল ৫০ কোটি। এক সপ্তাহের কম সময়ে খরচ তুলে লাভের ঘরে ঢোকার কারণে একে সফল বলাই যায়। আর সে সাফল্য উদযাপনে ১০০ দুস্থ পরিবারকে ১ লাখ রুপি করে অনুদান দেয়ার কথা জানিয়েছেন বিজয়।
বিশাখাপত্নমে খুশির একটি প্রচারণা অনুষ্ঠানে বিজয় এ সিনেমার সাফল্য নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা আনন্দিত তাই আমিও আনন্দিত। উদযাপনের একটি ভিন্ন মাধ্যমের কথা ভাবছি, জানি না, এটি ঠিক না ভুল। খুশি থেকে যা আয় করেছি, তার ১ কোটি আমি দান করব। ১০০টি পরিবার খুঁজে বের করব, যাদের আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন। ১০ দিন পর সিনেমার সাকসেস পার্টির আগেই কাজটা করব। আমি চাই মানুষের মধ্যে খুশি ছড়িয়ে পড়ুক।’ কাদের এ সাহায্য দেবেন বিজয় তা নিয়েও ভেবেছেন। আর এজন্য তিনি মঙ্গলবার টুইট করে জানতে চেয়েছেন কারো যদি আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাহলে যোগাযোগ করতে পারেন।
এদিকে বিজয়ের এ ঘোষণা শুনে তার পুরনো প্রযোজক বিজয়কে বিদ্রূপ করেছেন। ২০২০ সালে অভিষেক পিকচার্সের সঙ্গে ‘ওয়ার্ল্ড ফেমাস লাভার’ করেছিলেন বিজয়। সিনেমাটি ক্ষতির মুখে পড়েছিল। এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান অভিষেক নামা টুইটে লেখেন, ‘প্রিয় বিজয়, আমরা ওয়ার্ল্ড ফেমাস লাভারের বিপণনে ৮ কোটি রুপির ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। এখন দেখছি আপনি আরেকটি সিনেমার সাফল্যের কারণে দান করছেন। আপনার বড় হৃদয়ের পরিচয় এটি। তবে আশা করব ক্ষতিগ্রস্ত বিপণন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত পরিবারের কথাও আপনি মনে রাখবেন। সঙ্গে আমাদেরও।’
অভিষেককে কেউ ফিরতি প্রশ্ন করেননি, কিন্তু তবু প্রশ্ন থেকে যায় সিনেমার লোকসানের জন্য অভিনেতার কাছ থেকে অর্থ নেয়া বা তাকে দায়ী করার সুযোগ আদৌ আছে কিনা। কেননা প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত না হলে তারকার এক্ষেত্রে কোনো দায় নেই।
সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










