মির্জাপুর-২-এর কালিন ভাইয়া চরিত্রের জন্য পঙ্কজ ত্রিপাঠী দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে অনেক প্রশংসা ও ভালোবাসা পেয়েছেন। মজার বিষয় হলো মির্জাপুর দেখতে গিয়ে অনেক সময় নিয়েছিলেন এ অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘আমি পাঁচটি পর্ব দেখেছি। আরো পাঁচটি পর্ব দেখতে হবে। আমি শো দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাই। আমি আমার নিজের দৃশ্যগুলো দেখি। অন্যের দৃশ্যগুলোর সময় খুব দ্রুত এগিয়ে যাই।’
তবে এমনটা করা উচিত নয় বলে মনে করেন মির্জাপুরের কালিন ভাইয়া।
চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে তার জার্নি সম্পর্কে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের সঙ্গে কথা বলেছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠী। এ সময় তিনি ‘বহিরাগতদের’
আরো কঠোর পরিশ্রমের কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘কেউ যখন বহিরাগত হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে আসেন, তাকে একটি বলে সাত রান করতে হয়। একটি ছক্কা মেরে দৌঁড়াতে হয় এবং আরো একটি রান নিতে হয়। এটাই মজা। আপনার যা সম্ভাবনা রয়েছে তা পুরোপুরি কাজে লাগাতে হবে। আমার এ জার্নিটাই প্রমাণ করে যে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিকে যতটা খারাপ বলা হয় প্রকৃতপক্ষে ততটা নয়।’
পঙ্কজ ত্রিপাঠী আরেকবার ডন চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রস্তুত। এবার তাকে দেখা যাবে অনুরাগ বসুর লুডোতে। ছবিটি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাবে। এ ছবিতে তাকে চামড়ার জ্যাকেট এবং হলুদ রঙের চশমায় দেখা যাবে। ‘আমিও পর্দায় হলুদ চশমা এবং লাল জুতা পরতে চাই। কেউ কখনো আমাকে সে সুযোগটা দেয়নি। সাত্তুর (চরিত্রের নাম) একটা মিষ্টি ছোট্ট প্রেমের গল্প আছে। ছবিটি শেষ হয়ে গেলেও দর্শকরা তাকে গুণ্ডা বলে মনে করতে পারবে না’—ত্রিপাঠী বলেন।
সম্প্রতি নেহা ধুপিয়ার চ্যাট শো নো ফিল্টার নেহায় উপস্থিত হয়েছিলেন পঙ্কজ ত্রিপাঠী। সেখানে তার সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। পঙ্কজ বলেছিলেন তার পারিশ্রমিক বেড়েই চলেছে। তিনি বলেন, ‘এটা খুব কঠিন প্রশ্ন। এখন যে কাজটি করছি এবং আমার শেষ ছবি থেকে আমি যথেষ্ট পারিশ্রমিক পেয়েছি। আমার প্রতিটি নতুন ছবিতেই সর্বশেষটির চেয়ে পারিশ্রমিক বেড়ে যায়। পারিশ্রমিকের বিবেচনায় আমি প্রতিবারই আমার নতুন ছবিতে নিজের রেকর্ড গড়ি।’
সূত্র: ডিএনএ










