‘ঘোস্টবাস্টার্স: ফ্রোজেন এম্পায়ার’ নিয়ে প্রত্যাশা তত বেশি ছিল না। কারণ নিকট অতীতে দেখা গেছে, তিন দশক বয়সী সিরিজটি ততটা নতুন অনুরাগী জোটাতে পারেনি। সে হিসেবে প্রথম উইকএন্ডের ব্যবসা যথাযথই ছিল। তিনদিনে সিনেমাটির আয় দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৫২ লাখ ডলার। খবর ভ্যারাইটি।

সনি পিকচার্স পরিবেশিত সুপারন্যাচরাল কমেডি সিনেমাটি ২২ মার্চ থেকে উত্তর আমেরিকার ৪ হাজার ৩৪৫টি থিয়েটারে প্রদর্শিত হচ্ছে। প্রাথমিক অনুমান হিসেবে ‘ফ্রোজেন এম্পায়ার’-এর কাছে তিনদিনে ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার আয়ের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দর্শক উপস্থিতি সেই অনুমানকে ছাড়িয়ে গেছে।

আন্তর্জাতিক বক্স অফিসেও ‘ঘোস্টবাস্টার্স: ফ্রোজেন এম্পায়ার’ ইতিবাচক ব্যবসা দেখেছে। সেখানে আয় করেছে ১ কোটি ৬১ লাখ ডলার। সব মিলিয়ে ২৫টি বাজার থেকে আয় দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ১০ লাখ ডলার।

২০২১ সালে মুক্তি পায় এ ফিল্ম সিরিজের সর্বশেষ কিস্তি ‘ঘোস্টবাস্টার্স: আফটারলাইফ’। ওই সময় কিছু কিছু মার্কেট সবে কভিড-১৯ বিধিনিষেধ তুলে দিয়েছিল। তখন প্রথম উইকএন্ডে আয় করে ৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, নতুন কিস্তির আয় সে হিসেবে ততটা বাড়েনি। একই সঙ্গে এটাও বলছে, ৩০ বছর বয়সী ফ্র্যাঞ্চাইজিটি নির্দিষ্ট ভক্ত শ্রেণীর বাইরে খুব একটা নতুন দর্শক পায়নি।

ব্যবসার দিক থেকে ‘ঘোস্টাবাস্টার্স: ফ্রোজেন এম্পায়ার’-এর সামনে বাজেটও বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ এবার আগের কিস্তির তুলনায় বেড়েছে খরচ, মোট খরচ হয়েছে ১০ কোটি ডলারের বেশি। এর আগে ‘আফটারলাইফ’ সাড়ে ৭ কোটি ডলারের বিপরীতে আয় করেছিল ২০ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

অবশ্য সনি পিকচার্স আশা করছে, ‘ফ্রোজেন এম্পায়ার’ শিগগিরই লাভের ঘরে ঢুকে পড়বে। তবে সামনে যে বাধা নেই এমন নয়। কারণ ২৯ মার্চ মুক্তি পাবে হলিউডের আরেক হাই-অকটেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘গডজিলা ভার্সেস কং: দ্য নিউ এম্পায়ার’। অর্থাৎ, হলিউড দেখতে যাচ্ছে দুই ‘এম্পায়ার’-এর লড়াই।

‘ঘোস্টবাস্টার্স: ফ্রোজেন এম্পায়ার’ পরিচালনা করেছে গিল কেনান। অভিনয় করেছেন পল রুড, ক্যারি কুন, ফিন উলফহার্ডসহ অনেকেই।