মৃণাল সেনের জন্মশতবর্ষ পালন হলো কিছুদিন আগে। সৃজিত মুখার্জি নির্মাণ করছেন মৃণাল সেনের বায়োপিক। এদিকে মৃণালের স্মৃতিতে একটি সিনেমা নির্মাণ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের আরেক পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলী। ১৯৮২ সালে মুক্তি পায় মৃণাল সেন পরিচালিত ‘খারিজ’। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে খারিজের অনুপ্রেরণায় তৈরি হয়েছে ‘পালান’।
সিনেমার ট্রেলার শুরু হয় ১৯৮২ সালের খারিজের সূত্র ধরে। সিনেমাটিতে গৃহকর্মী পালান মারা গিয়েছিল। সে গল্পটা ছিল পালানকে নিয়ে। এবারের গল্পটা বাড়িকে নিয়ে। ট্রেলারের প্রথম দৃশ্যে অঞ্জন দত্তের কণ্ঠে শোনা যায়, সে বাড়ির ভূমিকা। যে বাড়িতে ভেন্টিলেশনের অভাবে মারা যায় পালান। বাড়িটিতে এখনো অঞ্জন দত্ত ও মমতা শংকরের বসবাস। পালানের স্মৃতিজড়িত এ গল্পে প্রধান হয়ে উঠছে বাড়ি ও মধ্যবিত্ত জীবন।
মধ্যবিত্ত জীবনে প্রায় দম্পতিরই নতুন জীবনের সূচনা কোনো ভাড়া বাড়িতে। দাম্পত্য, গার্হস্থ্য, সবকিছু একটা বাড়িকে ঘিরে। এ সিনেমার সে বাড়ি, পুরনো কলকাতার চকমেলানো একটা দালান। জীর্ণকায় দশার জন্য এবার ছেড়ে যেতে হবে। বেঁধে দেয়া হয়েছে সময়। কারণ সে বাড়ি ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে চিহ্নিত।
মৃণাল সেনের খারিজে অঞ্জন ও মমতা সেন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অঞ্জন দত্ত ও মমতা শংকর। ৪০ বছর পরের অবস্থার গল্পটি বলতে চেয়েছেন কৌশিক। তার পালান সিনেমায় পুরনো ধাঁচেই সাজানো হয়েছে এ দুজনকে। খারিজকে আবার মনে করতে পারবে দর্শক।
এ সিনেমায় আরো অভিনয় করেছেন যীশু সেনগুপ্ত, পাওলি দাম, শ্রীলা মজুমদার। মৃণাল সেনের একাধিক সিনেমার অভিনেত্রী শ্রীলা মজুমদার। খারিজে তিনি অভিনয় করেছিলেন শ্রীজা চরিত্রে। মূলত মৃণালের সে গল্পের মানুষ ও তাদের বদলে যাওয়া সময়কে নিয়ে আসতে চেয়েছেন কৌশিক গাঙ্গুলী। সিনেমাটি মুক্তি পাবে ২২ সেপ্টেম্বর।










