কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৪তম আসরে অফিশিয়াল সিলেকশনের বিভাগ আঁ সার্তে রিগায় স্থান পেয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশের পরিচালক আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের চলচ্চিত্র রেহানা মরিয়ম নূর। আজ ফ্রান্সে পালে দে ফেস্টিভ্যাল ভবনের সাল দুবুসি প্রেক্ষাগৃহে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা ১৫ মিনিট) ছবিটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে। এতে বাংলাদেশ থেকে ছবির সাতজনের দলের সঙ্গে থাকবেন সিঙ্গাপুরের প্রযোজক জেরেমি চুয়া।
রেহানা মরিয়ম নূরের প্রযোজক জেরেমি চুয়া গতকাল ভ্যারাইটিকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে কথা বলেছেন ছবিতে তার যুক্ত হওয়ার বিষয়ে।
সাদের রেহানা মরিয়ম নূর ছবিটি কেন চুয়ার মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এমনকি এশিয়ায় বসেও আমরা বাংলাদেশের স্বাধীন ও আর্ট ফিল্মগুলো খুব একটা দেখার সুযোগ পাই না। ২০১৬ সালে সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমি সাদের প্রথম ছবি লাইভ ফ্রম ঢাকা দেখি। ছবিটি দেখার পর বুঝতে পারি বাংলাদেশে অনেক প্রতিভাবান নির্মাতা আছেন। পরিচালনা, সংলাপ, সিনেমাটোগ্রাফি, অভিনয়, স্টাইল—সব মিলিয়ে সাদ এবং তার টিম পর্দায় একটা নতুন রূপকল্প ও শক্তি হাজির করেছিলেন। আমি বলতে পারি যে সাদ মানুষের অন্ধকার দিকটি চিনতে পেরেছেন; তার সৌন্দর্য ও দুর্বলতা, দুটোই। তার গল্প সীমিত পরিসরের কিন্তু চরিত্রগুলো নানা স্তরের জটিলতায় ঘেরা এবং এটা ছবিতে টেনশন ও নাটকীয়তা নিয়ে আসে। এ রকম ছবি আমি ভালোবাসি। তাই সে উৎসবের সময়ই আমি সাদের সঙ্গে আলোচনা করি এবং তার দ্বিতীয় ছবির জন্য একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিই।’
রেহানা মরিয়ম নূর ছবিটি কানের অফিশিয়াল সিলেকশনে স্থান করে নেয়ার বিষয়েও প্রশ্ন ছিল চুয়ার কাছে। তিনি জবাবে বলেছেন, ‘যেকোনো ছবিই উৎসর্গ আর সাধনার ফসল। একটা ছবির জন্য অনেক সৃষ্টিশীল শক্তি, সময়, প্রতিজ্ঞা এবং অতি অবশ্যই টাকার প্রয়োজন হয়। ছবিটি আঁ সার্তে রিগা বিভাগে নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে সাদের প্রতিভার স্বীকৃতি এল।’
সূত্র: ভ্যারাইটি










