কেজিএফ: চ্যাপ্টার টু বলিউডের কেউ পছন্দ করেনি, দ্য কাশ্মীর ফাইলস অত্যন্ত ধীর এবং আরআরআর একটি সার্কাস। সফল সিনেমাগুলো নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন বলিউডের পরিচালক রাম গোপাল ভার্মা। তার মতে, কেজিএফ: চ্যাপ্টার টু এবং দ্য কাশ্মীর ফাইলস বর্ণালীর দুই বিপরীত প্রান্তের সিনেমা। কেজিএফ: চ্যাপ্টার টুয়ের ভীতিমূলক বিষয়গুলো বলিউডের কেউ পছন্দ করেনি। যখন কোনো সিনেমা আপনি পছন্দ করবেন না তখন এ ধরনের মান অর্জন করতে পারে। কারণ আপনি বিভ্রান্ত হয়ে পড়বেন এবং আপনি জানেন না কী করা উচিত।

দ্য কাশ্মীর ফাইলস বিষয়ে তার মতামত, ‘এটি এখন পর্যন্ত তৈরি হওয়া সবচেয়ে ধীরগতির সিনেমা। সিনেমাটি এমন একজন অপরিচিত পরিচালক বানিয়েছেন যাকে বলিউড কখনো সিরিয়াসলি নেয়নি। তার পরও এর আয় ২৫০ কোটি রুপি ছাড়িয়ে গিয়েছে।’

স্মৃতিচারণ করে রাম গোপাল বার্মা বলেন, বলিউডের একজন বড় পরিচালক আমাকে বলেছিলেন, ‘রামু, আমি পাঁচবার এই সিনেমা দেখার জন্য বসেছি, কিন্তু কোনোবারই ১ ঘণ্টার বেশি দেখতে পারিনি।’ তারপর তিনি আবার তার পরবর্তী সিনেমার স্ক্রিপ্ট নিয়ে কাজ করতে বসে যান।

বিবেক অগ্নিহোত্রি পরিচালিত সিনেমাটির বিষয়ে রাম গোপাল ভার্মার মন্তব্য, ‘কাশ্মীর ফাইলসও কম যায় না। এখানে সবচেয়ে পরিচিত অভিনেতার নাম অনুপম খের। তার পরও এর আয় ২৫০ কোটি রুপি। পরিচালক হিসেবে আমাদের যা কিছু না করতে শেখানো হয় সবক্ষেত্রেই তার বিপরীতে গিয়েছে এ সিনেমা। সেখানে কোনো স্ক্রিনপ্লে নেই, কোনো ইন্টারভেল নেই, কোনো ক্লাইম্যাক্স নেই। গত ২০ বছরে মনে হয় না কেউ কোনো সিনেমা এ সিনেমাটির তুলনায় বেশি সিরিয়াসলি দেখেছে।’

তাই বলে যে কেজিএফ: চ্যাপ্টার টু তার পছন্দ নয় বিষয়টা এমন নয়। সিনেমাটিকে অনেকটা শিকড়ের সিনেমাগুলোর মতোই মনে হয়েছে রামের, যেটা অনেকটা অমিতাভ বচ্চনের ৭০-এর সিনেমার মতোই। তিনি বলেন, ‘এটি অনেকটা “মেরে পাস মা হ্যায়” টাইপের সিনেমা।’ তবে সিনেমাটির বিষয়ে ভাব প্রকাশের সঠিক শব্দ খুঁজে পাননি তিনি। তার মতে, ‘আমি বিভ্রান্ত।’

এসএস রাজামৌলির আরআরআর নিয়েও নিজের মন্তব্য জানিয়েছেন রাম। তার মতে, ‘আমি রাজামৌলিকেও বলেছি, আমার কাছে আরআরআর একটি সার্কাসের মতো। আমি সেটা খারাপ বলছি না। সার্কাস বলতেই আমাদের মনে ভেসে ওঠে ক্লাউনের কথা। কিন্তু সেখানে সত্যিকারে অনেক কিছু ঘটে। আরআরআরে রামচরণ আর জুনিয়র এনটিআরের দৃশ্যটি আমাকে জংলি সার্কাসের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।’

 

সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা