দেশের কিংবদন্তি গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদ। গীতিকার হিসেবে নব্বইয়ের দশক থেকে বাংলাদেশে ব্যান্ডশিল্পীদের একক ও যৌথ অ্যালবামের গান লেখা, সুর করা ও কম্পোজিশনের কাজ করছেন তিনি। তবে ঢাকাই সিনেমা ইন্ডাষ্ট্রিতে তার যাতায়াতটা ছিল কালেভদ্রে। ইদানীং সেটা নিয়মিতই হয়েছে। তার সুর ও সংগীতে প্রিয়তমা ছবির ‘ঈশ্বর’ গানটি সুপার ডুপার হিটের তকমা পেয়েছে। মাঝে মাঝে সিনেমার গান করলেও এক সিনেমার প্রায় সব গান কখনো করা হয়নি তার। অর্থাৎ সিনেমার মিউজিক ডিরেক্টর হিসেবে তাকে দেখা যায়নি। সে কাজই করেছে আসন্ন সিনেমা জংলির নির্মাতারা।
ঈদুল আজহায় মুক্তি পাবে জংলি। সিনেমার মৌলিক চারটি গানেরই সুর ও সংগীতায়োজন প্রিন্স মাহমুদ করেছেন বলে জানিয়েছেন ছবিটির পরিচালক এম রাহিম। তিনি বলেন, ‘আমাদের ছবির সঙ্গে প্রিন্স মাহমুদ নামটি ভালোভাবেই যুক্ত করতে পেরেছি। প্রিন্স ভাই আমাদের কিংবদন্তি। জংলি সিনেমার সবগুলো গান তিনিই করেছেন। গানগুলো এত ভালো করেছেন যে দর্শক-শ্রোতারা গানগুলোয় বুঁদ হয়ে থাকবেন বলে আমার বিশ্বাস।’
এ বিষয়ে প্রিন্স মাহমুদ আরো বলেন বলেন, ‘একই সিনেমার সব গানের দায়িত্ব আমার নেয়া হয়নি কখনো্। সময়ও হয়ে ওঠেনি তেমন। তবে জংলির আগে আরো একটি সিনেমার সব গানের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। কিন্তু সেটা শেষ হয়নি এখনো। তার আগেই জংলির গান করা হয়েছে। সিনেমাও তার আগে মুক্তি পাচ্ছে। তাই বলতে গেলে জংলিই আমার প্রথম সিনেমা যে সিনেমার সব গান আমি করেছি।’
গানের শিল্পীদের নিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে গানগুলো যারা গেয়েছেন, তারাও দারুণ এফোর্ট দিয়ে ভালো করার তাড়না থেকে চেষ্টা করেছে। আমিও আমার জায়গায় ভালো করার চেষ্টা করেছি। আমার বিশ্বাস ঈদের সিনেমা জংলির এই গানগুলোও দর্শক শ্রোতারা দারুণভাবে গ্রহণ করবেন।’
প্রিন্স মাহমুদ সর্বশেষ হিমেল আশরাফ পরিচালিত ‘রাজকুমার’ ছবিতে ‘বরবাদ’ ও ‘মা’ শিরোনামের গান দুটি তৈরি করেন। গানগুলো শ্রোতামহলে বেশ সমাদৃত হয়।
জংলির মূল ভূমিকায় অভিনয় করছেন সিয়াম আহমেদ। তার বিপরীতে আছেন শবনম বুবলী। বর্তমানে সিনেমাটির পোস্ট প্রডাকশনের কাজ এগিয়ে চলেছে। আগামী ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। এতে বিভিন্ন চরিত্রে আরো অভিনয় করেছেন, দিলারা জামান, শহীদুজ্জামান সেলিম, রাশেদ মামুন অপু, সোহেল খান, এরফান মৃধা শিবলু প্রমুখ।










