ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। অভিনয়ে তার স্বাভাবিকতা, সংযত অভিব্যক্তি এবং চরিত্রের প্রতি সততার কারণে অল্প সময়েই দর্শক মহলে আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন।

২০২৫ সালের বিদায়ের মুহূর্তে কেয়া পায়েল নতুন বছরের প্রতিকূলতা ও প্রত্যাশা নিয়ে বলেন, ‘বেঁচে আছি, ভালো আছি, সুস্থ আছি—এটাই আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড় শুকরিয়া। এক বছর বা ছয় মাস পর কী হবে, তা নিয়ে খুব বেশি ভাবি না। সবসময় বর্তমান নিয়েই বাঁচার চেষ্টা করি। সামনের দিনগুলো ভালো যাক, সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারি, এটাই আমার প্রত্যাশা।’

ক্যারিয়ারের শুরুতে জয় সরকার পরিচালিত ‘ইন্দুবালা’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে কেয়া পায়েলের। বড় পর্দায় ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘দর্শকের কাছ থেকে এমন আগ্রহ পাই যে তারা আমাকে ভিন্নধর্মী গল্পে বড় পর্দায় দেখতে চায়। যদি কখনো ভালো গল্প বা শক্ত কোনো চরিত্র পাই, অবশ্যই কাজ করব। আমি একজন শিল্পী, প্রতিটি মাধ্যমেই কাজ করতে চাই। বড় পর্দায় কাজ করার ইচ্ছা তো সবারই থাকে, আমারও আছে। ভালো সুযোগ এলে নিশ্চয়ই করব।’

কোনো কাজ বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে গল্প না চরিত্র এ বিষয়ে কেয়া পায়েল জানান, ‘আমার কাছে চরিত্রটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গল্পে আমি কতটুকু আছি, সেটা নিয়ে কোনো অসুবিধা নেই। যেকোনো মাধ্যমে কাজ করি না কেন, আমি আমার কাজটাকেই অগ্রাধিকার দিই। দর্শক আমাকে দেখছে, আমি দর্শকের কাছে পৌঁছতে পারছি, এটাই আমার কাছে অনেক বড় বিষয়।’

ভালোবাসার সংজ্ঞা নিয়ে কেয়া পায়েল বলেন, ‘যে মানুষটাকে ছাড়া আমি থাকতে পারব না, সে হলো আমার মা। আমি আমার মাকে ভীষণ ভালোবাসি। মা হচ্ছে ভালোবাসার সবচেয়ে পরিপূর্ণ উদাহরণ। মাকে ছাড়া কোনো কিছুই কল্পনা করতে পারি না। ভালোবাসার সংজ্ঞা একেকজনের কাছে একেক রকম। আমার কাছে ভালোবাসা সবসময় নিঃস্বার্থ। যাকে ভালোবাসি, সে মানুষটা থাকুক বা না থাকুক, সবসময় আমাদের মনের ভেতর থাকবে।’