বাবা জেমি স্পিয়ার্সের অভিভাবকত্ব বাতিল করতে করা ব্রিটনি স্পিয়ার্সের আবেদন নাকচ হয়ে গেছে লস অ্যাঞ্জেলেসের সুপিরিয়র কোর্টে। ২০০৮ সালে আদালত ব্রিটনির ও তার সম্পদের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব দেন জেমিকে।
গত সপ্তাহ থেকে বিশ্বের বিনোদন দুনিয়ার অন্যতম আলোচনার বিষয় ব্রিটনি স্পিয়ার্স। পিতার অভিভাবকত্বে তার জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন ব্রিটনি এবং তিনি এ অবস্থা থেকে মুক্তি চান। গত ২৩ জুন ভার্চুয়াল আদলতে নিজের বক্তব্যে বাবা জেমির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনেন ব্রিটনি, যার মধ্যে আছে তাকে মানসিক যন্ত্রণা দেয়া, তার টাকা-পয়সার ঠিকঠাক অধিকার না দেয়া, জোর করে মানসিক রোগের ওষুধ খাওয়ানো। ৩৯ বছর বয়সী ব্রিটনি বলেন, তার বাবা নিজের মেয়েকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পান। ‘আমি ১ ঘণ্টা ফোনে কেঁদেছি এবং সে (জেমি) সেটা উপভোগ করেছে। সে তার মেয়েকে কষ্ট দিয়ে শতভাগ আনন্দিত হয়। সে এমনটা করতে ভালোবাসে।’
তার এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জেমির উকিল এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মি. স্পিয়ার্স তার মেয়ের এ রকম পরিস্থিতিতে বেদনার্ত। তিনি তার মেয়েকে যথেষ্ট ভালোবাসেন এবং তাকে মিস করেন।’
মেয়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেমি আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করেন। তিনি ব্রিটনির অভিযোগের সত্যতা জানতে তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। জেমি আরো বলেছেন, দুই বছর ধরে তিনি তার মেয়ের চিকিৎসা ও ব্যক্তিগত বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করেননি।
২০২০ সালের নভেম্বরে ব্রিটনির সম্পদের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে জেমি স্পিয়ার্সকে অব্যাহতি দিতে করা আবেদনও খারিজ করেছিলেন আদালত।
ব্রিটনি স্পিয়ার্সের এ ঘটনা পুরো দুনিয়ায় আলোচিত হচ্ছে। অনেক দেশের শিল্পীরা ব্রিটনির পক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন। ব্রিটনির ভক্তরাও রাস্তায় নেমে তার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। সর্বশেষ ব্রিটনির আবেদন খারিজ করার সময় আদালত উল্লেখ করেছেন, ব্রিটনি এখনো তার সম্পদের ব্যবস্থাপনা করার জন্য সক্ষম নন, তিনি বিভিন্ন প্রতারণার শিকার হতে পারেন।
সূত্র: ভ্যারাইটি










