অনেকদিন ধরেই কাজ চলছে টিভি সিরিজ সিটাডেলের। কিন্তু এর মধ্যে তৈরি হয়েছে একটা সংকট। বাজেট বেড়ে যাচ্ছে বারবার। বলিউড তারকা প্রিয়াংকা চোপড়া অভিনীত এ সিরিজের উদ্দেশ্য একটি বৈশ্বিক ফ্র্যাঞ্চাইজি তৈরি করা। অ্যামাজন প্রাইমের এ সিরিজটির ব্যয় বেড়ে গেছে অনেকাংশে। সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য থাকায় বেশকিছু মূল সদস্যকে বরখাস্ত করতে বাধ্য হয়েছে প্রাইম ভিডিও, তাতে ব্যয়বহুল কিছু দৃশ্য আবার শুট করতে হয়েছে। ফলে বাজেট ছাড়িয়ে গিয়েছে ২ হাজার কোটি রুপি।
জো এবং অ্যান্থনি রুশোর এ সিরিজটিকে একটি ‘মাদারশিপ’
শো হিসেবে পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যেটার অধীনে ছোট ছোট বেশকিছু স্থানীয় স্পিনঅফ থাকবে। এই সিরিজের ভারতীয় অংশটা পরিকল্পনা করছেন রাজ এবং ডিকে। সিটাডেল সমস্যায় পড়ে যখন প্রাইম ভিডিও দুজন শো-রানার জোশ অ্যাপেলবাম এবং আন্দ্রে নেমেকের বিষয়গুলো এক জায়গায় আনে।
অ্যামাজন স্টুডিও এখন এই সিরিজে ব্যাকআপ দিচ্ছে, আর তাদের হাতে শুরুর দিকের কিছু ফুটেজ রয়েছে। এর ফলে শো-রানার অ্যাপেলবাম এবং ডিরেক্টর যুগলের মধ্যে সৃজনশীলতার পার্থক্য তৈরি হয়। পরে স্টুডিও রুশোদের পক্ষ নেয় এবং অ্যাপেলবামকে সরিয়ে দেয়। এছাড়া কভিড-১৯ আরেকটি বড় কারণ। সিটাডেলের প্রথম সিজনের জন্য বাজেট ছিল ১৬ কোটি ডলার। কিন্তু নতুন করে শুট করার জন্য ব্যয় করতে যাচ্ছে আরো সাড়ে ৭ কোটি ডলার। টিএইচআরের রিপোর্ট বলছে, সিটাডেল সর্বকালের দ্বিতীয় ব্যয়বহুল টিভি প্রজেক্ট হয়ে উঠছে। প্রাইম ভিডিওর আরেকটি সিরিজ দি লর্ড অব রিংস: দি রিংস অব পাওয়ারের প্রথম সিজন তৈরিতে খরচ হয়েছিল ৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
ব্যয়বহুল চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি রয়েছে জো ও অ্যান্থনি রুশোর। নেটফ্লিক্সের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমার নাম দি গ্রে ম্যান, চেরি সিনেমারও বাজেট ছাড়িয়ে যাওয়ার ইতিহাস রয়েছে। সিটাডেল এখন পোস্ট প্রোডাকশনে রয়েছে। কিন্তু সিরিজটির মুক্তির তারিখ এখনো জানা যায়নি।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










