বছর তিনেক আগে আলোচনায় আসে লন্ডনভিত্তিক কে-পপ গার্ল ব্যান্ড ‘কাচি’। ২০২০ সালের এপ্রিলে ‘ইওর টার্ন’ শিরোনামে একটি মিউজিক ভিডিও মুক্তি দেয়ার মাধ্যমে অভিষেক ঘটে এ ব্যান্ডের। ইউটিউবে আপলোড দেয়ার দুই মাসের মধ্যে সারা বিশ্বের এক কোটি মানুষ ভিডিওটি উপভোগ করে। এ পর্যন্ত এর মোট ভিউ হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ। এ থেকে তাদের জনপ্রিয়তা সহজেই অনুমেয়। তবে এসবই পুরনো খবর। নতুন খবর হলো ভাঙনের। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ ব্যান্ডের আর কোনো অস্তিত্ব নেই। মঙ্গলবার অফিশিয়ালি এ ঘোষণা দেয় ব্যান্ডটি।
চার মূর্তির সমন্বয়ে ২০২০ সালে লন্ডনে যাত্রা করে কে-পপ ব্যান্ড কাচি। সূচনালগ্ন থেকেই কে-পপ গ্রুপের প্রথাগত পথে হাঁটেনি এ দল। চার সদস্যের তিনজনই ইউরোপীয় (নিকোল, চুনসেও ও ড্যানি)। কোরীয় সদস্য ছিলেন একজন (কোকো)। তাছাড়া কোরীয় কোনো বিনোদন সংস্থার মাধ্যমে কাচির অভিষেক ঘটেনি। পরিবর্তে সে কৃতিত্ব দখল করে লন্ডনের ‘ফ্রন্টরো রেকর্ডস’। তবে প্রতিষ্ঠার বছর খানেক পরই (২০২১) ড্যানি দল ছেড়ে চলে যান। একক সংগীত ক্যারিয়ার গঠন এর কারণ। ২০২২-এ ড্যানির দেখানো পথ অনুসরণ করেন কোকো। তখন থেকে এতদিন হাল ধরেছিলেন নিকোল ও চুনসেও। অবশেষে তারাও ধরলেন একক ক্যারিয়ার গঠনের পথ। আলোচনার ভিত্তিতে নিকোল ও চুনসেও দলটির বিলুপ্তি ঘোষণা করেছে বলে এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে কাচির এজেন্সি। বিবৃতিতে আরো উল্লেখ ছিল, ‘আমরা যা কিছুই করি এবং যেখানেই থাকি না কেন, আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক সবসময় দৃঢ় থাকবে। মুখ্য ভূমিকায় নিকোল ও চুনসেও অভিনীত ডকুমেন্টারি আগামী মে-তে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি দেয়া হবে। অনুগ্রহ করে এর জন্য অপেক্ষা করুন। নিকোল ও চুনসেওর ভবিষ্যৎ উদ্যোগের জন্য শুভকামনা। আপনাদের ভালোবাসা এবং সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।’
কাচি ব্যান্ড ভেঙে যাওয়ার খবরে স্বাভাবিকভাবেই হতাশ হয়েছেন ভক্তরা। তথাপি প্রিয় ব্যান্ড সদস্যদের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাও জানিয়েছেন তারা। ‘সবসময় এ নারীদের আমি সমর্থন করব’, ‘ধন্যবাদ, কাচি’, ‘এগিয়ে যাও কাচি! নব সূচনা’, আমাদের পক্ষ থেকে সমর্থন ও আশীর্বাদ রইল’ ইত্যাদি মন্তব্য কাচি ব্যান্ডের সদস্যদের ভবিষ্যৎ যাত্রায় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
সূত্র: ইয়ন










