নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বাড়িতে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে মা-মেয়ে দগ্ধ হয়েছেন। শনিবার রাতে সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার আলামিনবাগ এলাকায় পুলিশ সদস্য সারোয়ার জাহানের বাড়ির ভাড়াটের ঘরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ মা ও মেয়েকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে মায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন।
দগ্ধ নার্গিস আক্তারের স্বামী মনির হোসেন জানান, অটোরিকশা চালানোর কারণে তিনি শনিবার রাতে বাসায় ছিলেন না। রাত ২টার দিকে গ্যাস সরবরাহ চাপ বাড়লে বাড়ির কয়েকজন ভাড়াটিয়ার স্ত্রী রান্নার কাজ শুরু করেন। আমার স্ত্রী চার বছরের মেয়ে মরিয়মকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। পাশের ঘরে রান্না করার সময় সেখানকার গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে তার ঘরে আগুন ধরে যায়। আগুনে ঘরের সব আসবাব পুড়ে যায়। এ সময় মা ও মেয়ের চিত্কার শুনে আশপাশের ঘরের লোকজন এসে পানি ছিটিয়ে আগুন নেভান। পরে দগ্ধ দুজনকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালটির চিকিৎসক এস এম আইউব হোসেন জানান, আগুনে নার্গিস আক্তারের শরীরের ৭০ শতাংশ ও মেয়ে মরিয়মের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের উপসহকারী পরিচালক ফখরুদ্দিন জানান, ধারণা করা হচ্ছে পাশের রান্নাঘর থেকে গ্যাসলাইন লিকেজ হয়ে নির্গত গ্যাস মনিরের ঘরে জমে ছিল। সে গ্যাস থেকে আগুনের সূত্রপাত। এতে মা ও
মেয়ে দগ্ধ হয়েছেন।









