গণতন্ত্রকে কেবল নির্বাচনের প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখা যাবে না। এ জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, জবাবদিহিতা ও নাগরিক সমাজের সক্রিয় ভূমিকা। ইন্দোনেশিয়ার সংকট-পরবর্তী অভিজ্ঞতা ও পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর রাজনৈতিক রূপান্তরের উদাহরণ বাংলাদেশের জন্য বড় শিক্ষা হতে পারে।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) আয়োজিত ‘সংকট, সহিংস সংঘাত ও গণতন্ত্রের সংহতি: ইন্দোনেশিয়ার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা।
আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়নের সহযোগী অধ্যাপক ড. জুলফান তাজুদিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন বিআইডিএস মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এনামুল হক।
মূল প্রবন্ধে ড. তাজুদিন বলেন, ১৯৯৮ সালে প্রেসিডেন্ট সুহার্তোর পতনের মধ্য দিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় তিন দশকের কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ঘটে। অর্থনৈতিক মন্দা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সময় দেশটি ভেঙে পড়ার মুখে পড়লেও ১৯৯৯ সালে চার দশক পর প্রথম অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে এ সময় বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতা তীব্র আকার ধারণ করে।
তিনি সতর্ক করেন, কর্তৃত্ববাদী প্রবৃদ্ধি সাময়িক সাফল্য আনলেও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল হলে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও সহিংসতার ঝুঁকি বাড়ে। তাই গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও নতুন সামাজিক চুক্তি।










