কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং সীমান্তের নাফ নদের ওপারে ঢেকুবুনিয়ায় গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। এছাড়া উখিয়া সীমান্তের কয়েকটি জায়গায় গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে। গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলির শব্দ পায় স্থানীয় লোকজন। সব মিলয়ে এখনো আতঙ্কে রয়েছে উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তের মানুষ। তবে সীমান্ত দিয়ে যাতে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটতে না পারে সেজন্য বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর জালাল আহমদ জানান, টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ সীমান্তের নাফ নদের ওপারে মিয়ানমারের মুণ্ডু টাউনশিপের আশপাশে তিন ও চার কিলোমিটার নামক এলাকায় গোলাগুলি হয়েছে।
১৫ দিন ধরে সীমান্তবাসীর অস্বস্তি ও উদ্বেগের কথা প্রকাশ করে জালাল আহমদ বলেন, ‘কোনোভাবেই স্বস্তি ফিরছে না স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। সোমবার হোয়াইক্যংয়ের লম্বাবিল ও উনচিপ্রাং সীমান্তের নাফ নদের ওপারে থেমে থেমে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।’
হোয়াইক্যং সীমান্তের বাসিন্দা আল-মামুন ও জাহাঙ্গীর আলম জানান, সীমান্তের ওপারে বিকট শব্দ বলে দিচ্ছে ওখানে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ চলছে। নানা মাধ্যমে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে বলা হচ্ছে মিয়ানমারের চাকমাকাটা, কোয়াংচিমন ও কুমিরখালী এলাকায় বিজিপির ঘাঁটি ঘিরে এ সংঘর্ষ চলছে। তাদের উদ্বেগ বা ভয়ের কারণ এপারে কখন গুলি এসে পড়ে, কখন মর্টার শেল এসে পড়ে তা নিয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে। তবে বিকালে মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে। ছেলেমেয়েরা খেলাধুলাও করছে। কখন কী বিপদ আসে তা বলা যাচ্ছে না।
বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘নাফ নদ অতিক্রম করে রোহিঙ্গাসহ কোনো দুষ্কৃতি যেন অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত অনুপ্রবেশের চেষ্টাকারী ১৩৭ জনকে প্রতিহত করেছে বিজিবি।’










