আগামী নির্বাচনে কেউ কোনো ধরনের ‘মেকানিজম’ (কারসাজি) করার চিন্তা করলে তারা পালাতে বাধ্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা ওই বিগত তিন নির্বাচন বা চার নির্বাচনের মতো কোনো নির্বাচন দেখতে চাই না। আমরা বোঝাপড়ার কোনো নির্বাচন একেবারেই দেখতে চাই না। বোঝাপড়া কোনো অথরিটির সঙ্গে হবে না, বোঝাপড়া হবে রাজনৈতিক দলগুলোর ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি, অন্য কারো সঙ্গে নয়। আমরা সেই নির্বাচনটা দেখতে চাচ্ছি।’
গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির এ মন্তব্য করেন। সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্যদের নিয়ে ‘ইন রিকগনিশন অব সার্ভিস অ্যান্ড স্যাক্রিফাইস: আ স্যালুট টু আওয়ার ডিসটিংগুইশড ভেটেরানস’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কর্নেল (অব.) মো. জাকারিয়া হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন জামায়াতের ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী আবদুল বাতেন। উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন মেজর জেনারেল (অব.) মাহাবুব উল আলম, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, মেজর (অব.) সরোয়ার হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান প্রমুখ। এছাড়া সাড়ে তিনশ থেকে চারশ জন সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্য অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে শফিকুর রহমান বলেন, ‘যদি আমরা দেশবাসী সবাই মিলে সচেতন থাকি, আমাদের বিশ্বাস, যদি কেউ কোনো ধরনের মেকানিজম করার চিন্তা মাথায় এসেও থাকে, তারা পালাতে বাধ্য হবে ইনশাআল্লাহ।’
জাতীয় জীবনে আগামী নির্বাচনের গুরুত্ব সীমাহীন উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন কোনো ফরম্যাটেই পড়ে না। এখন যাদের বয়স ৩৫-৩৬ বছর, তারা জীবনে একটা ভোটও দেয়ার সুযোগ পায়নি। জামায়াত এমন একটা নির্বাচন চায়, যেখানে প্রত্যেকটি ভোটার স্বস্তির সঙ্গে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারবেন। কোনো চ্যালেঞ্জ, প্রশ্ন জাগ্রত হবে না। যদি সেই পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে এই নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য।’










