আশুলিয়ায় গত কয়েকদিনের শ্রমিক আন্দোলনের কারণে তৈরি পোশাক শিল্পে অস্বস্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে অনেক জায়গায় নতুন করে শ্রমিক নিয়োগের জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে। এ মুহূর্তে পোশাক শিল্প জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে একটি সংকটময় পরিস্থিতি পার করছে।

গত দুই বছরে প্রায় ২৭০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। বন্ধ কারখানার শ্রমিকদের আমরা নতুন করে কোথাও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারছি না। আমরা চাই দ্রুত স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসুক। যাতে শ্রমিকরা কাজে ফিরতে পারে। কারখানা সচল হয় ও রফতানি অব্যাহত থাকে।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ভবনে এক মতবিনিময় সভায় বিজিএমইএ সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন। তৈরি পোশাক কারখানায় চলমান সংকট ও উত্তরণের পথ নিয়ে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বিজিএমইএ। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম, শ্রম উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রমুখ।

তিনি বলেন, সরকার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়ায় আগামীকাল সব পোশাক কারখানা খোলা থাকবে। তবে কোনো কারখানায় অস্থিরতা তৈরি হলে আগামী পরশুদিন থেকে সে কারখানা শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারা (কাজ নেই, বেতন নেই) অনুযায়ী অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।