যশোর-৪ আসনের (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) সংসদ সদস্য ও বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রণজিৎ কুমার রায়ের বিপক্ষে এক মঞ্চে উঠেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। সোমবার বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বিপক্ষ গ্রুপ প্রকাশ্যে সংসদ সদস্যের অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি নিয়ে কথা বলেছেন। এ জোট এমপির বিপক্ষে বাঘারপাড়ার তৃণমূল নেতাকর্মীদের ইচ্ছা পূরণ করতে পারবে, এমনটাই ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বাঘারপাড়ায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে গ্রুপিংয়ের বিষয়টি নতুন কিছু না। প্রয়াত সংসদ সদস্য শাহ হাদীউজ্জামানের সময়ও বাঘারপাড়ায় একটা গ্রুপ তার বিপক্ষে সক্রিয় ছিল। পরবর্তী সময়ে রণজিৎ কুমার রায় ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ধীরে ধীরে বাঘারপাড়ায় আওয়ামী লীগের গ্রুপ রাজনীতি প্রকট আকার ধারণ করে। একসময় প্রয়াত উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম কাজল রণজিৎ কুমার রায়ের বিপক্ষের অংশের নেতৃত্ব দিতেন। তার মৃত্যুর পর নেতৃত্বের কোন্দল নিয়ে কাজল অংশে ভাঙন ধরে। যার ধারাবাহিকতায় বাঘারপাড়ায় সংসদ সদস্যের বিপক্ষের শক্তি চার ভাগে বিভক্ত হয়।
সম্প্রতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান আলী এ চার অংশের নেতাদের এক টেবিলে আনতে সক্ষম হয়েছেন। এমপি রণজিৎ কুমার রায় বলেন, ১৫ আগস্টের শোক দিবসে আমার বিপক্ষের গ্রুপ যেসব অভিযোগ করেছেন তা সঠিক নয়। আমি সবাইকে নিয়ে চলতে চাই, যারা আমার কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা পায়নি, তারাই এক মঞ্চে উঠেছেন।










