বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম নাজমুল হাসান বলেছেন, ‘মাদক, চোরাচালানসহ সীমান্তে হত্যা কমিয়ে নিয়ে আসার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স।’ গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় আখাউড়া সীমান্ত পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘বিজিবির পক্ষ থেকে চেষ্টা করছি, সীমান্ত দিয়ে যেন কোনোভাবে আমাদের দেশে মাদক প্রবেশ করতে না পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন।’
সীমান্ত হত্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা কারোরই কাম্য নয়, একটা জীবন মেরে ফেলুক, তারাও (বিএসএফ) চান না আমরাও চাই না। তারাও চান আমরাও চাই সীমান্ত হত্যা যতটুকু কমিয়ে আনা যায়।’
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বাধার মুখে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ভবন, কসবা রেলস্টেশন ও সালদা নদীর ব্রিজের কাজ বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘২০১৬ সালে কাজটি শুরু হয়ে ২০২০ সালে কাজটা বন্ধ হয়ে পড়েছিল। এখন আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত যেন সমাধান হয়ে যায়।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমএম খায়রুল কবির,ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কেএম আজাদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল ইসলাম (সরাইল রিজন কমান্ডার), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কেএম আজাদ ব্যুরো চিপ বিএসবি ব্যুরো সদর, মো. আবুল কালাম শামস উদ্দিন রানা (সেক্টর কমান্ডার কুমিল্লা), সুলতানপুর ৬০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক হাসান উল্লাহসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তিনি বিএসএফ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের শূন্য রেখায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।










