আসন্ন দুর্গা পূজা উপলক্ষে প্রতিবারের মতো এবারো রীতি মেনে ইলিশ চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে আবেদন করেছে ভারতের ফিশ ইমপোর্টার অ্য়াসোসিয়েশন। চিঠিটি এরই মধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এ ব্যাপারে জানিয়েছেন, ভারতে ইলিশ যাবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। গতকাল সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তৌহিদ হোসেন।
এ বিষয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘আমি ১৫ মিনিট আগে কাগজটা দেখেছি এবং আমি বলেছি যে এটা সরকারের যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় আছে তারা সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা তো আর মাছ রফতানির সিদ্ধান্ত নিই না।’
ভারতীয় ব্যবসায়ীদের চিঠিতে বলা হয়, ১৯৯৬ সালের পর থেকে প্রতি বছর গড়ে ৫ হাজার টন ইলিশ বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানি হচ্ছিল। তবে ২০১২ সালের পর থেকে রফতানি অজ্ঞাত কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আবার পাঁচ বছর ধরে কেবল দুর্গা পূজাকে কেন্দ্র করে বিশেষ বিবেচনায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ যাচ্ছিল। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রফতানির সুযোগ চাওয়া হয় চিঠিতে।
ভারতীয় ব্যবসায়ীদের হিসেবে, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ৫০০ টন রফতানি অনুমোদনের বিপরীতে পুরোটাই ভারতে রফতানি হয়েছে; পরের বছর ১ হাজার ৮৫০ টন রফতানির অনুমোদন দেয়া হয়েছিল, সবগুলোই রফতানি হয়েছে; ২০২১ সালে ৪ হাজার ৬০০ টন ইলিশ রফতানির অনুমোদন দেয়া হয়েছিল, রফতানি হয়েছে ১২০০ টন; ২০২২ সালে ২ হাজার ৯০০ টন ইলিশ রফতানির অনুমোদন দেয়া হয়েছিল; রফতানি হয়েছে ১ হাজার ৩০০ টন এবং ২০২৩ সালে ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ রফতানির অনুমোদন দিয়েছিল বাংলাদেশ, রফতানি হয়েছে ১ হাজার ৩০০ টন।










