সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফারহানা নাজনীনের (৫০) মরদেহ যমুনা নদী থেকে গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আত্মহত্যা করেছেন না অন্য কোনোভাবে মারা গেছেন তার প্রকৃত কারণ জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।

সিরাজগঞ্জ সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার স্নিগ্ধ আক্তার বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে যতটুকু জানতে পেরেছি তাতে জানা যায়, সদর উপজেলার মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফারহানা নাজনীন বেলা সাড়ে ৩টার দিকে যমুনা নদীর জেলখানা ঘাট এলাকায় নদীর তীর দিয়ে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি নদীর তীরে বসে দুই হাত দিয়ে মাথায় পানি দিয়েছেন। কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা তাকে আর দেখতে না পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দল এসে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ফারহানা নাজনীনের মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি আরো জানান, ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে তিনি বলেন, তার দেহের কিছু অংশ পানিতে ভাসলেও জুতা ও হ্যান্ডব্যাগ নদীর পাড়ে শুকনো জায়গায় ছিল। তাই মৃত্যুর ঘটনা কিছুটা রহস্যজনক বলে মনে হচ্ছে। তিনি কীভাবে মারা গেলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজ জানান, গতকাল সকালে অফিসে এসেছিলেন ফারহানা নাজনীন। দুপুরের পর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিকালে যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষাবাঁধ এলাকায় তার ভাসমান মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে ।