ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোক জানিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবার ও সারা দেশে ওসমান হাদির সহযোদ্ধাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন জোটের নেতারা। এ হত্যাকাণ্ডকে ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান উচ্ছৃঙ্খলতার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জোটের শীর্ষ নেতা নাহিদ ইসলাম, হাসনাত কাইয়ূম ও মজিবুর রহমান মঞ্জু।

গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওসমান হাদির ওপর হামলা এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যর্থতার নিন্দা জানায় গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট। একই সঙ্গে অবিলম্বে দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানানো হয়।

যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, পরাজিত ও পলাতক হাসিনার খুনি-সন্ত্রাসী, ভারতীয় আগ্রাসনবাদী ও দেশের মধ্যে লুকিয়ে থাকা দোসররা মিলে দেশে একটা চরম অরাজকতা তৈরি করতে চান। দেশে একটা গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি তারা তৈরি করতে চান। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ বানচাল করে এ দেশে অগণতান্ত্রিক তৃতীয় শক্তির উত্থান তারা করতে চান।

বিবৃতিতে বলা হয়, পরাজিত ও পলাতক গোষ্ঠীর উসকানিতে বৃহস্পতিবার রাতে একাধিক পত্রিকা অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কূটনীতিকের বাসভবনে হামলা হয়েছে। দেশবরেণ্য সাংবাদিক ও জুলাইয়ের অন্যতম পক্ষশক্তি নূরুল কবীরকে নাজেহাল করা হয়েছে। বিবৃতিতে এসব ঘটনায় দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানানো হয়।