সিলেটে বন্যার ভয়াবহতার জন্য সুরমা কুশিয়ার তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়াকেই দায়ী করছেন সিলেটের জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই তা স্বীকার করে বলেছেন, প্রধান দুই নদী সুরমা কুশিয়ারা খনন না করলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারে। সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে এসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন এই মন্তব্য করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। আজ বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সিলেট জেলায় সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও করণীয় বিষয়ক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তারা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, সিলেটের প্রধান নদীগুলোর তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। খালি মাঠগুলোও ভরাট হয়ে গেছে। এ কারণে পানি নামতে পারছে না। যেকোনো দুর্যোগেই সিলেটের জন্য এটা একটি ভয়ের কারণ। মন্ত্রী নগরীর ভেতরের পুকুর-দিঘিসহ জলাশয়গুলো রক্ষায় সবাইকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান। বন্যার্তদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বন্যার পানি বেশি দিন থাকবে না। দ্রুতই নেমে যাবে। ফলে কয়েকটা দিন কষ্ট করতে হবে। এই সময়ে সরকার আপনাদের পাশে আছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, আগামী ২২ মে ডেল্টা প্লান সংক্রান্ত সভা রয়েছে। যেখানে সিলেটের নদী খননের বিষয়টি উত্থাপন করা হবে। এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. কামরুল হাসান, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফ, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেনসহ উপস্থিত ছিলেন।










